ইরাকে চলমান বিশৃঙ্খলা ও অস্থিরতা ঠেকাতে সামরিক ‘ক্রাইসিস সেল’ গঠন করছে সরকার। তিন মাস ধরে চলা এই গণআন্দোলনে তিন শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবারও নাসিরিয়া শহরে একটি বিক্ষোভ মিছিলে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা গুলি ছুড়লে ঘটনাস্থলেই ৮ জনের মৃত্যু হয়।
কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, সরকারি পরিষেবার মান উন্নয়ন এবং দুর্নীতির অবসানের দাবি নিয়ে গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে বাগদাদের রাজপথে রয়েছেন হাজার হাজার ইরাকি। পরে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে অন্যান্য শহরেও তবে বিক্ষোভ গুরুতর রূপ ধারণ করে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা মারাত্মক হামলা শুরু করলে।
বিক্ষোভকারীরা ইরানকেও দুষছে সরকারি বাহিনীর এ ধরনের আক্রমণাত্মক আচরণের পেছনে। তাদের অভিযোগ, ইরান ইরাকের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বারবার নাক গলাচ্ছে। শুধু তাই নয়, ইরাকের সরকারকে নিজেদের মতো করে ইরান চালাচ্ছে বলেও দাবি ইরাকি জনগণের।
এ অভিযোগেই বুধবার ইরাকের নাজাফ শহরে অবস্থিত ইরানি কনস্যুলেটে আগুন ধরিয়ে দেন একদল বিক্ষোভকারী। ভবনে আগুন ছড়িয়ে পড়ার সময় তারা ‘ইরাককে ইরান থেকে তাড়াও’ বলে স্লোগান দিচ্ছিলেন।
স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো জানায়, আন্দোলনকারীরা কনস্যুলেট ভবনে ঢোকার ঠিক আগ মুহূর্তে সেখানকার কর্মীরা বেরিয়ে যেতে সফল হন।







