পাশের দেশের সিনেমার বক্স অফিসে প্রায়শই শত কোটির হিসেব শোনা যায়! শুধু হিন্দি ছবি নয়, অন্যান্য আঞ্চলিক ভাষার সিনেমাতেও এমনটা ঘটছে হরহামেশায়! সময়ের সাথে সাথে বাড়ছে বহুগুণ! এখনতো আর শত কোটিতেও আটকে নেই, মাঝেমধ্যে ১ হাজার কোটি টাকা আয়ের সংবাদও ভেসে আসে!
সেদিক থেকে বাংলাদেশ তথা বাংলা সিনেমা কেন পারছে না মার্কেট ধরতে? সে লক্ষ্যেই এবার বড় পরিসরে সিনেমা নির্মাণের ঘোষণা দিলো বাংলাদেশ ও ভারতের তিনটি প্রযোজনা সংস্থা মিলে। চরকি, আলফা আই এবং এসভিএফ- বিশ্বের সব বাংলাভাষি মানুষকে টার্গেট করে নির্মিতব্য সিনেমার নাম ‘তুফান’। ঢাকাই সিনেমার সুপারস্টার শাকিবকে নিয়ে নির্মিতব্য সিনেমাটি পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছেন রায়হান রাফী!
সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে ‘তুফান’ এর ঘোষণা দিতেই প্রযোজনা সংস্থার তরফে হয়ে গেল সংবাদ সম্মেলন। যেখানে প্রধান আকর্ষণ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাকিব খান!
মঞ্চে তাকে ডেকে নেয়ার পর বিশ্বব্যাপী বাংলা সিনেমার দর্শক নিয়ে কথা বলেন এই নায়ক। এসময় নিজের সর্বশেষ মুক্তি পাওয়া ছবি ‘প্রিয়তমা’র সাফল্য নিয়ে কথা বলেন তিনি। ছবিটি দেশের বাইরে প্রবাসী বাঙালিদের ভালোবাসায় নিজের মুগ্ধতার কথাও শোনান।
শাকিব বলেন, “আমরা ১০০ কোটির ক্লাবে কবে যাবো, সেদিকেই তাকিয়ে আছি। যদিও আমার মনে হয় সেদিন আর বেশী দূরে নয়, কারণ ‘তুফান’ এর মাধ্যমে বাংলাদেশের অন্যতম দুই প্রযোজনা সংস্থা চরকি ও আলফা আইয়ের সাথে কলকাতার এসভিএফ একসাথে হয়েছে- হয়তো অচিরেই আমরাও বলতে পারবো বক্স অফিসে আমাদের গ্রস সেল ১০০ কোটি হয়েছে!”
ভিনদেশে বাংলা সিনেমার বড় মার্কেট তৈরী হয়ে আছে জানিয়ে শাকিব আরো বলেন, “একটা সময় হয়তো ১০০ কোটি টাকাও বাংলা সিনেমার জন্য খুব কম টাকা মনে হবে। কারণ বাংলার যে পপুলেশন, সেটার কিছু ধারণা পেয়েছি। নর্থ আমেরিকার কথা যদি বলি, সেখানেই মিলিয়নের বেশী বাংলাদেশি বাস করেন। একইভাবে পশ্চিমবঙ্গেরও মানুষ সেখানে বাস করেন। সব মিলিয়ে শুধু নর্থ আমেরিকাতেই বিশ-ত্রিশ লাখের মতো বাঙালি দর্শক আছে। তারমানে হলো, সেখানে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলারের বাজার অপেক্ষা করছে। শুধু দরকার ছিলো বাংলার একটা কোলাবরেশনের। সবাই একসাথে মিলে কাজ করার। কারণ সবাই একসাথে মিলে কাজ না করলে বড় কিছু অর্জন সম্ভব নয়।”
এসময় এমন বড় পরিসরের কাজে যুক্ত করার জন্য তিন প্রযোজনা সংস্থার কর্তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান শাকিব।







