পুতিনের যুদ্ধনীতির বিরুদ্ধে রাশিয়ান তারকাদের প্রতিবাদ

রাশিয়া ও ইউক্রেনের যুদ্ধ ভয়াবহ পরিস্থিতি রূপ নিয়েছে। রাশিয়ার আক্রমণে বিধ্বস্ত ইউক্রেনের বিভিন্ন শহর। এবার ইউক্রেনের বসবাসকারী মানুষদের পাশে থাকার আর্তি জানালেন রাশিয়ান তারকারাদের বিরাট অংশ।

ইনস্টাগ্রামে অনেকেই কালো স্ক্রিন পোস্ট করছেন প্রতিবাদ জানিয়ে। যুদ্ধের বিরুদ্ধে কথা বলছেন সকলেই। রাশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী সেনিয়া সোবচাক বলেছেন, ‘বর্তমানের ঘটনার ফল রাশিয়ানদের বহুদিন পেতে হবে।’

সাহসী সাংবাদিকতার জন্য ২০২১ সালে নোবেল জয়ী ‘নোভায়া গাজেতা’র প্রধান সম্পাদক দিমিত্রি মুরাতভের বলেন, “দামী গাড়ির চাবির মতো ‘নিউক্লিয়ার বাটন’ হাতের মুঠোয় নিয়ে বসে আছেন কমান্ডার-ইন-চিফ। পরবর্তী ধাপ কি পারমাণবিক সালভো? ভ্লাদিমির পুতিনের কথা আর অন্য কোনো ব্যাখ্যা তো দিতে পারছি না। শুধুমাত্র রাশিয়ানদের যুদ্ধবিরোধী আন্দোলনই বিশ্বকে বাঁচাতে পারে।”

গ্র্যামি মনোনয়নপ্রাপ্ত গায়িকা-গীতিকার রেজিনা স্পেক্টর বলেছেন, ‘আমার হৃদয় আহত। যুদ্ধের ভয়াবহতা নিয়ে এত এত চিত্রকর্ম, গান, সিনেমা তৈরি হওয়া স্বত্বেও যুদ্ধ বাড়ছেই। শিশুদের মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়া হচ্ছে।’

অস্কারে মনোনয়নপ্রাপ্ত অভিনেত্রী ভেরা ফারমিগার বাবা-মা দুজনই ইউক্রেনের। দেশটির পতাকা শেয়ার করে অভিনেত্রী লিখেছেন, ‘ইউক্রেনের পাশে আছি।’

রাশিয়ান কমেডিয়ান ম্যাক্সিম গালকিন এবং টিভি ব্যক্তিত্ব ইভান আরজেন্ট ইনস্টাগ্রামে যুদ্ধের বিপক্ষে কথা বলেছেন। আরজেন্ট লিখেছেন, ‘ভয় ও কষ্টের, যুদ্ধকে না বলুন।’

রাশিয়ান পপ তারকা ভালেরি মেলাদজে একটি ভিডিও শেয়ার করে যুদ্ধের বিপক্ষে থাকার কথা জানিয়েছেন। ইনস্টাগ্রামে তার দেড় মিলিয়ন ফলোয়ার। ভিডিওটি কয়েক মিলিয়ন ভিউ হয়েছে।

রাশিয়ান র‍্যাপার অক্সিমিরন যুদ্ধের কারণে ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেছেন। বলেছেন, ‘আমি জানি রাশিয়ার অধিকাংশ মানুষই এই যুদ্ধের বিপক্ষে। আমি আশাবাদী যে মানুষ এই বিষয়ে আরও কথা বলবে। যত বেশি কথা হবে, তত দ্রুত এই ভয়াবহতা শেষ হবে।’

অক্সিমিরন জানিয়েছেন, তিনি মস্কো এবং সেন্ট পিটার্সবার্গের শো বাতিল করবেন। র‍্যাপার বলেন, ‘রাশিয়ার মিসাইল যখন ইউক্রেনে পড়ছে, তখন আমি আপনাদের বিনোদন দিতে পারি না।’

অভিনেতাইউক্রেনচিত্রকর্মচিত্রশিল্পীপুতিনযুদ্ধরাশিয়ার‍্যাপারলিড বিনোদনশিল্পী