আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে ফাইনালে ভারতকে হারিয়ে র্যাঙ্কিংয়ে বড় লাফ দিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার বাঁহাতি ওপেনার ট্রাভিস হেড। ১৬ ধাপ এগিয়ে ওয়ানডে ব্যাটিংয়ে ১৫তে এসেছেন ২৯ বর্ষী তারকা। টেস্টে সেরা ১০-এ থাকলেও ওয়ানডেতে এটি তার ক্যারিয়ারসেরা অবস্থান। ফাইনালে সেঞ্চুরি করেছিলেন হেড।
ফাইনালে হেডের সাথে ১৯২ রানের জুটির পর ৫৮ রানে অপরাজিত থাকা মার্নাস লাবুশেনেরও উন্নতি হয়েছে। আটধাপ এগিয়ে ডানহাতি ব্যাটারের অবস্থান ২২-এ, যা ওয়ানডেতে তারও ক্যারিয়ারসেরা। একধাপ করে অবনতি হয়েছে চ্যাম্পিয়নদের বাঁহাতি ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার, স্টিভ স্মিথ ও অ্যালেক্স ক্যারির।
সেরা পাঁচে রদবদল না হলেও তিনজনই এখনও ভারতের। যথারীতি শীর্ষ ধরে রেখেছেন ডানহাতি ওপেনার শুভমন গিল। আসরের সেরা দুই রান সংগ্রাহক বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মা আছেন তালিকার তিন ও চারে। দুইয়ে পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম এবং পাঁচে আসরের সর্বোচ্চ সেঞ্চুরিয়ান সাউথ আফ্রিকার কুইন্টন ডি কক।

একধাপ এগিয়েছেন নিউজিল্যান্ডের ড্যারিল মিচেল, এখন ছয়ে। ভালো খেলার পরও একধাপ করে অবনতি হয়েছে ডেভিড মিলার, ইমাম উল হক, লোকেশ রাহুল, এইডেন মার্করামের। আসালাঙ্কা, রহমানউল্লাহ গুরবাজ, স্কট এডওয়ার্ডস, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, পাথুম নিশাঙ্কা, টেম্বা বাভুমা, মিচেল মার্শদের দুই ধাপ করে অবনতি হয়েছে।
বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফর্ম করে সেরা উইকেট শিকারী হলেও র্যাঙ্কিংয়ে একধাপ অবনতি হয়েছে ভারতের পেসার মোহাম্মদ শামির। তার অবস্থান এখন সেরা ১০-এ। যথারীতি শীর্ষ ধরে রেখেছেন সাউথ আফ্রিকার কেশব মহারাজ। একধাপ উপরে উঠে জশ হ্যাজেলউড দুইয়ে। সাত ধাপ এগিয়ে ২৭-এ উঠেছেন অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক প্যাট কামিন্স।

একধাপ অবনতি হয়েছে মোহাম্মদ সিরাজের, এখন তিনে। চারে জাসপ্রিত বুমরাহ এবং পাঁচে রয়েছেন অ্যাডাম জাম্পা। রশিদ খান একধাপ এগিয়ে ছয়ে গেলেও পিছিয়ে সাতে এসেছেন কুলদীপ যাদব। শাহিন আফ্রিদি একধাপ এগিয়ে নয়ে উঠেছেন। দুধাপ এগিয়ে মিচেল স্টার্ক ১২তে আসলেও একধাপ করে পিছিয়ে ১৩ ও ১৪তে মুজিব উর রহমান এবং কাগিসো রাবাদা।
একধাপ করে পিছিয়েছেন আদিল রশিদ, মার্কো জানসেন, লুনগি এনগিদি ও রিচি টপলে। পুরো আসরে মাত্র এক ম্যাচ খেলে একধাপ পিছিয়েছেন শন অ্যাবোট।







