প্রবীণ সাংবাদিক আমিনুর রহমান তাজ মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৯ বছর।
সোমবার (১৬ অক্টোবর) সকাল ১০টা ১০ মিনিটে মালিবাগের চৌধুরী পাড়ার নিজ বাসায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তিনি দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগে ভুগছিলেন।
আমিনুর রহমান তাজ বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স ইউনিটির (ক্র্যাব) স্থায়ী সদস্য। তিনি সংগঠনটির সাবেক সহ-সভাপতি। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ক্র্যাবের প্রশিক্ষণ ও তথ্যপ্রযুক্তি সম্পাদক ইসমাঈল হোসেন ইমু।
এর আগে শনিবার (৭ অক্টোবর) সকালে হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হন আমিনুর রহমান তাজ। প্রথমে তাকে রাজধানীর খিদমাহ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে তাকে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনে পাঠানো হয়।
আমিনুর রহমান তাজের ভাই মিরাজ জানান, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন তার ভাইয়ের হার্ট অ্যাটাকের বিষয়টি নিশ্চিত করে। একইসঙ্গে তার ফুসফুসে অতিরিক্ত পরিমাণ পানি পাওয়া গেছে বলে জানানো হয়েছে। তাকে করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) স্থানান্তর করা হয়। তিন দিন আগে চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছিলেন তিনি।
আমিনুর রহমান তাজ ১৯৭৫ সালে নটরডেম কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে স্নাতক পাস করেন।
বাংলাদেশের অপরাধ সাংবাদিকতায় উজ্জ্বল নক্ষত্র আমিনুর রহমান তাজ। বর্তমান সময়ের ক্রাইম রিপোর্টারদের মধ্যে অনেককেই তিনি শিখিয়েছেন। ১৯৯০ থেকে শুরু করে প্রায় এক দশকের বেশি সময় তার কলমের খোঁচায় কাঁপত ঢাকার অপরাধ জগৎ।
২০০০ সালে ‘মন্ত্রীর বউ আর পুলিশ কমিশনারের বউয়ের জয়েন্ট ভেঞ্চার’ প্রতিবেদন করে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন তিনি। প্রথম বাংলাদেশি সাংবাদিক হিসেবে তার গ্রেপ্তারে আন্দোলন হয়েছিল বিশ্বের অনেক দেশে। যার ফলে তাকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছিল তৎকালীন প্রশাসন।








