দেশের বিভিন্ন জেলায় বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে বন্যার জন্য বেড়েছে পানিবাহিত রোগ। বন্যা কবলিত এলাকাগুলোতে সড়ক যোগাযোগ ভেঙে পড়ায় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে বানভাসীদের। সেই সাথে বাড়ছে খাদ্য সংকট।
ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট, ধোবাউড়া এবং ফুলপুর উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও বাড়ছে দুর্ভোগ। এখনও পানিবন্দি কয়েক হাজার মানুষ। ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি দেখা দিয়েছে ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন পানিবাহিত রোগ। পর্যাপ্ত ত্রাণসামগ্রী না পেয়ে ক্ষোভ জানালেও প্রশাসন বলছে সবধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। বানভাসী মানুষদের খাদ্য, চিকিৎসাসহ বিভিন্ন সহযোগিতার জন্য টিম প্রস্তুত আছে বলে জানান নির্বাহী কর্মকর্তা।
ময়মনসিংহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবি আরিফুল ইসলাম আরিফ বলেন, বন্যায় আমন ফসল, মাছের খামার, গবাদি-পশু, বাড়ী-ঘর ও সবজি নষ্ট হয়ে গেছে। ত্রাণ বিতরণ করছে প্রশাসনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন। তবে তা চাহিদার তুলনায় কম।
নেত্রকোণা জেলার সদর, দুর্গাপুর, কলমাকান্দা, পূর্বধলা, বারহাট্টায় ধীর গতিতে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে। সবগুলো নদীর পানি বিপৎসীমার নিচে নেমেছে। দুর্গত এলাকায় দেখা দিচ্ছে পানিবাহিত রোগ। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে প্রত্যেক ইউনিয়নে একটি করে মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। দুর্গত এলাকায় খাবারের পাশাপাশি গো খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট রয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। বরাদ্দ পাওয়ার সাথে সাথেই পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু হবে।







