নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী দেবালয়ের সাংগঠনিক সম্পাদক পার্থ সাহাকে ধরে নিয়ে মারধর ও দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে সোনাইমুড়ী স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম-আহ্বায়ক রুবেল ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে।
গত বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাতে সোনাইমুড়ী চৌমুহনী আঞ্চলিক সড়ক আয়েশা পেট্রোল পাম্প সংলগ্ন হারুন এন্টারপ্রাইজ এ ঘটনা ঘটে।
পার্থ সাহা জানান, বাইপাস সিঙ্গার শো-রুমের বিপরীত পাশে আমার বন্ধুদের নিয়ে আড্ডা দিচ্ছিলাম। এসময় রায়হান ভূইয়াসহ চারজন যুবক সিএনজি থেকে নেমে কিছু বুঝে ওঠার আগেই আমার কলার ধরে টানা-হেঁচড়া শুরু করেন। আমি বারবার বলতে থাকি ভাই আমার অপরাধ কী? এরকম করছেন কেন? তিনি আমাকে বললেন, তোর সাথে হিসাব-নিকাশ আছে। পরে নিয়ে যাওয়া হয় আয়েশা পেট্রোল পাম্প সংলগ্ন ভানুয়াই ৪নং ওয়ার্ড জহির কমিশনারের বাড়ির সামনে হারুন এন্টারপ্রাইজে। সেখানে নিয়ে এলোপাতাড়ি চড়-থাপ্পর কিলঘুষি মারতে থাকে এবং সবুজ ও শিশির নামে একজনকে দিয়ে সেই ভিডিও করে রাখেন। এসময় রুবেল ভূঁইয়া বলেন, তোদের সামনে পূজা এক লক্ষ টাকা চাঁদা দিতে হবে, আগামীকাল সকালের মধ্যে চাঁদা না দিলে পূজা করতে পারবি না। তোকে সোনাইমুড়ী থাকতে দিবো না। পরে আমি সোনাইমুড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স গিয়ে চিকিৎসা নিয়েছি।
তিনি আরও বলেন, এ বিষয়টি বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, থানা বিএনপির সভাপতি আনোয়ার হক কামাল, হিন্দু নেতা কামাক্ষাকে জানিয়েছি এবং চাটখিল সেনাবাহিনী ক্যাম্পে গিয়ে অভিযোগ দিয়েছি এবং তারা আমাকে থানায় জিডি করার পরামর্শ দিয়েছেন। আমরা আতঙ্ক ও শঙ্কায় আছি। আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন। আমরাও এদেশের নাগরিক। আমাদেরও নিরাপদে বাঁচার অধিকার আছে।
হিন্দু নেতাকে মারধর করে চাঁদা চাওয়ার অভিযোগের বিষয়ে সোনাইমুড়ী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক রুবেল ভূঁইয়া বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা রয়েছে এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা।
সেনাবাহিনীর সদস্যরা বৃহস্পতিবার রাত ১১টায় আপনার বাড়িতে কেন গিয়েছিল জানতে চাইলে তিনি বলেন, তখন আমি বাড়িতে ছিলাম না।








