মোড়েলগঞ্জ উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডাঃ হাসান তারেক’র বিরুদ্ধে অফিস স্টাফদের সাথে অসৌজন্যমুলক আচরণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে ভূক্তভোগী পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবরে আবেদন করেছেন।
১৫নং মোড়েলগঞ্জ ইউনিয়ন, মোড়েলগঞ্জের পরিবার কল্যাণ সহকারী শামীম আরার লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে, তিনি পরিবার কল্যাণ সহকারী ১/খ ইউনিট ১৫নং মোড়েলগঞ্জ ইউনিয়নে গত ০১ জানুয়ারি/৯০ তারিখে যোগদান করে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। গত ৮ জানুয়ারি তিনি অসুস্থ হয়ে ক্লিনিকে ভর্তি হন। ভর্তির পরে পরীক্ষা নিরীক্ষার মাধ্যমে জানতে পারেন তার কিডনিতে পাথর সহ জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ায় ৩ (তিন) দিনের ছুটির আবেদন করেন এবং অসুস্থতার ছবি অফিসারের ম্যাসেঞ্জারে পাঠান। এমনকি ভুক্তভোগীর স্বামী মোবাইল ফোনে স্ত্রীর অসুস্থতার কথা মোড়েলগঞ্জ উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডাঃ হাসান তারেকে জানান।
কিন্তু মোড়েলগঞ্জ উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডাঃ হাসান তারেক’র ফোন করে শামীম আরাকে তার সামনে উপস্থিত হতে বলেন। নির্দেশ পেয়ে শামীম আরা হাতের স্যালাইন খুলে ক্যানোলা পরা অবস্থায় তার ছোট বোনের সহযোগীতায় উপজেলা অফিসে অফিসারের সামনে উপস্থিত হন। উপস্থিত হওয়ার সাথে সাথে উক্ত ডাঃ হাসান তারেক’র শামীম আরার বোনকে রুম থেকে বের করে দেন।
এমনকি শামীম আরার স্বামী কেনো উক্ত ডাক্তারকে ফোন করেছে তার ব্যাখ্যা চান এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং হুমকি দিয়ে বলেন তিনি (শামীম আরা) কিভাবে চাকুরী করেন তা দেখে নিবেন। এসময় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। আবেদনে উক্ত মোড়েলগঞ্জ উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডাঃ হাসান তারেক’র বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য আবেদন করেন।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে শামীম আরা বলেন মোড়েলগঞ্জ উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডাঃ হাসান তারেক’র বিরুদ্ধে অভিযোগ করে তিনি আবারো হয়রানীর শিকার হচ্ছেন। অভিযোগের খবর পেয়ে উক্ত ডাক্তার বিভিন্নভাবে হয়রানী করছেন। মিথ্যা বানোয়াট অভিযোগ দিয়ে হয়রানি করছেন। শামীম আরা মোড়েলগঞ্জ উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডাঃ হাসান তারেক’র দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবি করেছেন।








