বলিউডের জনপ্রিয় নৃত্যশিল্পী নোরা ফাতেহির নজরে পড়েছেন ঢাকার কোরিওগ্রাফার মোফাসসাল আলিফ। শুধু নজরে নয়, আলিফকে ভালোবাসাও দিয়েছেন এই বলিউড তারকা। এটি সম্ভব হয়েছে জনপ্রিয় সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম ইনস্টাগ্রামের কল্যাণে।
গত ১৬ জানুয়ারি নোরা ফাতেহি তার ইউটিউব চ্যানেলে মার্কিন সংগীত শিল্পী জ্যাসন ডেরুলোর সঙ্গে ‘স্নেক’ নামে নতুন একটি মিউজিক ভিডিও প্রকাশ করেন। ওই গানটিতে নোরার ঢংয়ে একইভাবে রিলস বানিয়ে ইনস্টাগ্রামে আপলোড করেছিলেন আলিফ।
ট্যাগ করার পর সেটি নজরে আসে নোরার। সঙ্গে সঙ্গে তিনি পছন্দ করে ভালোবাসার ইমুজি দিয়ে আলিফের ভেরিফায়েড ইনস্টাগ্রামে মন্তব্য করেন।
নোরা ফাতেহির মতো বিখ্যাত তারকার এমন মন্তব্যে পুরোপুরি সারপ্রাইজড হয়েছেন আলিফ। উত্তরে তিনি লিখেছেন, থ্যাঙ্ক ইউ সো মাস মাই ডার্লিং!
পরে চ্যানেল আই অনলাইনকে আলিফ বলেন, যে কোনো কাজের স্বীকৃতি পেলে ভালো লাগে। নোরা ফাতেহির মতো প্রিয় তারকার থেকে পেলে তো কথাই থাকে না। আমাদের দেশে এই বিষয়গুলো দেখা না গেলেও বলিউডের এত বড় তারকা হয়েও সে ভালোবাসা দিতে ভোলেননি।
তিনি বলেন, একটি রিয়্যালিটি শো-তে জ্যাসনের সঙ্গে মালাইকা এবং নোরা ঠিক এভাবে নেচেছিল। সেটা দেখে আমি ভালো লাগা থেকে রিলসটি করেছিলাম, কিন্তু নোরা ফাতেহি আমার পোস্টে এসে রিয়েক্ট করবে ভাবিনি। এতে আমি অনেক বেশি অনুপ্রাণিত হয়েছি। নোরা ফাতেহি আমার পোস্টটি এড়িয়ে গেলেও পারতেন। কিন্তু তা না করে বড়মনের শিল্পীর পরিচয় দিয়েছে। বাংলাদেশের শিল্পীদের মধ্যে এই গুন নেই।
তরুণ কোরিওগ্রাফার হিসেবে একটু একটু পরিচিতি অর্জন করছেন আলিফ। নৃত্যের বিভিন্ন শাখায় তার বিচরণ। দেশের বাইরে ইউরোপ-আমেরিকাতেও তিনি শো করেছেন। আধুনিক নাচ, ভারতীয় ক্ল্যাসিক্যাল, বাংলাদেশি লোকনৃত্য সব বিষয়ে তার সমান দক্ষতা রয়েছে।
‘বৃত্তের বাইরে নৃত্যধারা করার চেষ্টা করি’ উল্লেখ করে আলিফ বলেন, নাচের পাশাপাশি একটু ফান রাখার চেষ্টা করি। যেটা বাংলাদেশে চর্চা হয়না। দেশের বাইরে থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে এসে এগুলো করি। পাশাপাশি বিভিন্ন কবিতার কথার সঙ্গে মিলিয়ে ডান্স করি। সবসময় যে সিরিয়াস কাজ করতে হবে তা নয়, লাইফে ফানেরও দরকার আছে।
সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া ‘ছি ছি ননী’ গানটি ভাইরাল হয়। বন্ধুদের সঙ্গে পাহাড়ে ঘুরতে গিয়ে মজা করে রিলস বানিয়েছিলেন আলিফ।
তিনি বলেন, এই রিলসটি ২৪ মিলিয়নের বেশি ভিউস হয়েছে ফেসবুক থেকে। উড়িষ্যার সাম্পালপুরি এই গানটি দেখে সেখান থেকেও প্রচুর মানুষ কমেন্ট করে। এটাও আমার কাছে ভালো লাগার বিষয়।








