ভারতে চলছে লোকসভা নির্বাচন। সোমবার (২০ মে) ভোটের সকালে কেন্দ্রে গিয়ে প্রথমবার ভোটাধিকার প্রয়োগ করলেন বলিউড অভিনেতা অক্ষয় কুমার। যিনি গেল বছরেই পেয়েছেন ভারতের নাগরিকত্ব!
ভারতে থাকলেও অক্ষয় ২০২৩ সাল পর্যন্ত কাগজেপত্রে ছিলেন কানাডার নাগরিক। যে কারণে কখনো তিনি ভোট দিতে পারেননি। সোমবার প্রথমবার ভোট দিলেন খিলাড়ি। স্থানীয় সময় ঠিক সকাল ৭টায় ভোট কেন্দ্রে পৌঁছান তিনি।
ভোট দিয়ে বেরিয়ে ক্যামেরার মুখোমুখি হন অক্ষয়। তাকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি আমার ভারতের উন্নয়নের কথা মাথায় রেখে ভোট দিয়েছি এবং সমস্ত ভোটারদের এটি মাথায় রাখা উচিত এবং তাদেরও সঠিক প্রার্থীকে ভোট দেওয়া উচিত। ভোট দিতে পেরে আমার খুব ভালো লেগেছে। খুব ভালো বোধ করছি।’
মুম্বাইতে ভোট প্রদানের সংখ্যা কম হওয়া নিয়েও এনময় তাকে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা। জবাবে খিলাড়ি কুমার জানান, তিনি যখন তার পোলিং বুথে পৌঁছেছিলেন তখন বুথে প্রায় ৫০০-৬০০ লোক ছিল। তিনি আত্মবিশ্বাসী যে, লোকেরা বাড়ির বাইরে বেরিয়ে আসবে এবং ভোট দেবে।
রীতিমতো লাইন দিয়ে ভোট দিতে দেখা যায় অক্ষয় কুমারকে। যা নিয়ে প্রশ্ন করেন, সেখানে উপস্থিত সংবাদমাধ্যম। একজন তারকা হয়েও তিনি কেন লাইন দিলেন সেই প্রশ্ন করা হলে, মজার ছলে জবাব আসে, ‘তো কী করবো? লাইন ভেঙে আগে চলে যাবো?’
২০২৩ সালের ৭৭তম স্বাধীনতা দিবসের দিন ভারতের নাগরিকত্ব পাওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন অক্ষয় কুমার। ভারতের পাসপোর্ট শেয়ার করে তিনি লেখেন, ‘মন আর নাগরিকত্ব, দুটোই হিন্দুস্তানি’। কানাডার পাসপোর্ট ও নাগরিকত্বের কারণে একসময় কম ট্রোলের কারণে পড়তে হয়নি তাঁকে। এমনকি, ডাকা হত কানাডা কুমার নামেও।
অক্ষয় জানিয়েছিলেন, ৯০-এর দশকের গোড়ার দিকে তার পরপর ছবি ফ্লপ করতে থাকে। একটানা ১৫টি সিনেমা ব্যর্থ হলে, এক বন্ধুর পরামর্শে কানাডার নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন। সেখানে যাতে কাজ করতে সুবিধে হয়। কিন্তু এরপরই ভাগ্যের বিধানে পরপর দুটি ছবি হিট করে যায়। তারপর যে ভারতে ফেরেন, আর কখনও ঘুরে দাঁড়াতে হয়নি। এরপর একসময় ভুলেই গিয়েছিলেন কানাডার পাসপোর্ট ফেরত দিয়ে ফের একবার ভারতের নাগরিক হওয়ার কথা। তবে ট্রোল হতেই টনক নড়ে। -হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা








