আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং সম্পদের তথ্য গোপন সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগের মামলা থেকে খালাস পেয়ে অঝোরে কেঁদে আল্লাহর কাছে বিচার দিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।
আজ ২৯ আগস্ট বৃহস্পতিবার অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মির্জা আব্বাসকে বেকসুর খালাসের রায় দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬ এর বিচারক মো. মাসুদ পারভেজ। রায় ঘোষণার সময় মির্জা আব্বাসের স্ত্রী আফরোজা আব্বাসও আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
খালাস পেয়ে অশ্রুসিক্ত হয়ে তিনি বলেন, গত ১৭ বছরে আওয়ামী লীগ সরকার বহু নেতা-কর্মীর জীবন শেষ করে দিয়েছে। অনেকে জেলে মারা গেছেন। বহু পরিবার ধ্বংস হয়ে গেছে। আমার পরিবার ধ্বংস হয়ে গেছে। আল্লাহর কাছে বিচার দিলাম, আল্লাহ যেন এর উচিত বিচার করে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, মির্জা আব্বাস আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিবিহীন ৭ কোটি ৫৪ লাখ ৩২ হাজার ২৯০ টাকার সম্পদ অর্জন এবং ৫৭ লাখ ২৬ হাজার ৫৭১ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন। ২০০৭ সালের ১৬ আগস্ট দুর্নীতি দমন কমিশরে (দুদক) উপ-পরিচালক মো. শফিউল আলম রাজধানীর রমনা থানায় এই মামলাটি করেন।
২০০৮ সালের ২৪ মে দুদকের উপ-পরিচালক মো. খায়রুল হুদা তদন্ত শেষে মামলার চার্জশিট দাখিল করেন। চার্জশিটে তার বিরুদ্ধে আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিবিহীন ৪ কোটি ২৩ লাখ টাকার সম্পদ অর্জন এবং ২২ লাখ টাকার সম্পত্তির তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়।
২০০৮ সালের ১৬ জুন আদালতে মামলার অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। মামলার বিচার চলাকালীন ২৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে।








