মেয়েদের এএফসি এশিয়ান কাপে নর্থ কোরিয়ার কাছে বড় ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ। ১০৩ ধাপ এগিয়ে থাকা দলটির বিপক্ষে আরও বেশ কয়েকবার গোল থেকে বেঁচেছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ৯এ থাকা দলটি একের পর এক আক্রমণ করেছে, বিপদ থেকে উদ্ধার করেছেন গোলরক্ষক মিলি আক্তার। তবে পিটার বাটলারের শিষ্যদের ছন্নছাড়া খেলায় ভুগতে হয়েছে দলকে।
ওয়েস্টার্ন সিডনি স্টেডিয়ামে নর্থ কোরিয়ার কাছে ৫-০ গোলে হেরেছে বাংলাদেশ। কোরিয়ার জোড়া গোল করেছেন কিম কিয়ং ইয়ং। একটি করে গোল করেছেন মিয়ং ইউ ঝং, চা উন ইয়ং এবং কিম হায়ে ইয়ং। ম্যাচজুড়ে একটি শটও নিতে পারেনি বাংলাদেশ। বাংলাদেশের ৩৯ শতাংশের বিপরীতে ৬১ শতাংশ বল দখলে রাখে রি সং হোয়ের শিষ্যরা।
ম্যাচের ষষ্ঠ এবং ১১তম মিনিটে ওয়ান এন্ড ওয়ান শট ঠেকিয়ে দেন মিলি। ১৪ মিনিটে কিয়ং ইয়ং গোল করলে, সেটা ভিএআরে দেখা যায় হ্যান্ড বল, বাতিল করেন রেফারি। ২৭ মিনিটে কর্নার থেকে হ্যান ঝিং হংয়ের শট ঠেকিয়ে দেন মিলি, কিন্তু গোলরক্ষকের ধরে রাখা বল মিও ইয়ো ঝং শট নিয়ে জালে পাঠান, ভিএআর দেখে রেফারি সেই গোলও বাতিল করেন। ৩১ মিনিটে কোরিয়া বল জালে জড়ালে অফসাইডের কারণে বাতিল হয়। ৩৯ মিনিটে বাংলাদেশকে বাঁচায় পোস্ট, কিয়ং ইয়ংয়ের হেড বারে লেগে ফিরে আসে।
৪৫ মিনিট শেষে যোগ করা সময় বক্সের ভেতর হং সংকে ফাউল করেন আফাইদা খন্দকার, পেনাল্টি পায় নর্থ কোরিয়া, লিড এনে দেন মিয়ং ইউ ঝং। মিনিট পর ব্যবধান দিগুণ করে ১০৩ ধাপ এগিয়ে থাকা দলটি, কিয়ং ইয়ংয়ের গোলে ২-০তে করে বিরতিতে যায়।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই বল নিয়ন্ত্রণে রাখে নর্থ কোরিয়া। একের পর এক আক্রমণ করে বাংলাদেশের জাল লক্ষ্য করে, প্রতিবারই রক্ষা করেন মিলি। দ্বিতীয়ার্ধে কোরিয়ার খরা কাটে ৬২ মিনিটে, তৃতীয় গোলটি করেন চা উন ইয়ং। ঠিক দুই মিনিট পর এক হালি হজম করতে হয় আফাঈদা-ঋতুপর্নাদের, গোল করেন কিয়ং ইয়ং, পূর্ণ করেন নিজের জোড়া।
ম্যাচের ৭২ মিনিটে একটি অসাধারণ শট ঠেকিয়ে দেন মিলি। ম্যাচের শেষ মিনিটে কিম হায়ে ইয়ংয়ের গোলে ব্যবধান হয় ৫-০। বড় হারে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ।

