‘ইন্ডিয়ান আইডল সিজন ১’-এর বিজয়ী গায়ক অভিজিৎ সাওয়ান্ত মনে করেন, কোনো রিয়েলিটি শো জেতার চেয়েও দীর্ঘ সময় প্রাসঙ্গিক থাকা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
গ্যালাটা ইন্ডিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অভিজিৎ বলেন, “আমি বিশ্বাস করি কোথাও পৌঁছানোই আসল চ্যালেঞ্জ। ট্রফি জেতা চূড়ান্ত লক্ষ্য নয়। আপনি যদি জিতে যান, সেটা দারুণ একটি অর্জন, তবে আরও বড় সাফল্য হলো যখন শ্রোতারা আপনাকে চিনতে শুরু করেন এবং আপনি নিজের পটভূমির ঊর্ধ্বে উঠে ক্যারিয়ার গড়েন।”
তিনি আরও বলেন, “আমার মতে জয় আসল বিষয় নয়, বরং রিয়েলিটি শোর মাধ্যমে দৃশ্যমানতাই মূল বিষয়। অনেক সময় দেখা যায়, জনপ্রিয়তার ভিত্তিতে বিজয়ী নির্ধারিত হয়, দক্ষতার ভিত্তিতে নয়। ফলে প্রতিভাবান শিল্পীরা শুধু ভক্তসংখ্যার ঘাটতির কারণে হারিয়ে যান।”
অভিজিৎ উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন বলিউডের দুই জনপ্রিয় শিল্পী— অরিজিৎ সিং ও নেহা কক্করের নাম। “তারা কেউই তাদের প্রতিযোগিতা জেতেননি। তবু আজ তারা বহু বিজয়ীর চেয়েও অনেক এগিয়ে। আমি অত্যন্ত সততার সঙ্গে বলছি, ট্রফির চেয়ে নিজের পরিচয় গড়ে তোলাই অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ,” বলেন অভিজিৎ।
উল্লেখ্য, নেহা কক্কর ‘ইন্ডিয়ান আইডল ২’-এর একজন প্রতিযোগী ছিলেন, কিন্তু শুরুতেই বাদ পড়েন। আর অরিজিৎ সিং ‘ফেম গুরুকুল’ নামের রিয়েলিটি শোতে অংশ নিয়ে ষষ্ঠ স্থান অর্জন করেছিলেন।
অভিজিৎ সাওয়ান্ত ২০০৫ সালে ‘ইন্ডিয়ান আইডল’ জিতে রাতারাতি তারকাখ্যাতি পান। ওই বছরেই প্রকাশিত হয় তার প্রথম অ্যালবাম ‘আপ কা অভিজিৎ সাওয়ান্ত’। এরপর আরও তিনটি অ্যালবাম— ‘জুনুন’ (২০০৭), ‘ফরিদা’ (২০১৩), ও ‘ফকিরা’ (২০১৮)— মুক্তি পায়। পাশাপাশি তিনি ‘আশিক বানায়া আপনে’ (২০০৫), ‘চট্টগ্রাম’ (২০১২) এবং ‘ঢিশুম’ (২০১৬) ছবিতে প্লেব্যাকও করেছেন।







