নিজেদের কাজটা আগেই করে রেখেছিল আবাহনী লিমিটেড। বিকেএসপিতে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জকে ৭ উইকেটে হারিয়ে শিরোপা জয়ের দ্বারপ্রান্তেই দলটি। তবে অপেক্ষা ছিল মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব-গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স ম্যাচের ফলাফল পর্যন্ত। সমীকরণ ছিল মোহামেডান হারলেই শিরোপা আবাহনীর। তবে শেষ নাসুম আহমেদের ঝলকে গাজী গ্রুপকে ৪ উইকেটে হারিয়ে শিরোপা দৌড়ে টিকে থাকল মোহামেডান। ফলে সুপার লিগের শেষ রাউন্ডে আবাহনীর বিপক্ষে মোহামেডানের ম্যাচটি পরিণত হয়েছে অঘোষিত ফাইনালে।
মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে আগে ব্যাটে নামে গাজী গ্রুপ। ৪৯.৪ ওভার ব্যাট করে ২৩৬ রানে গুটিয়ে যায় তারা। গাজী গ্রুপের হয়ে সর্বোচ্চ ৮০ রান করেন মুনিম শাহরিয়ার। মোহামেডান বোলাদের মধ্যে সাইফউদ্দিন ও মোস্তাফিজুর রহমান তিনটি করে উইকেট নেন। নাবিল সামাদ নেন দুটি উইকেট।
জবাবে নেমে ইনিংসের শেষ বলে জয় নিশ্চিত করে মোহামেডান। শেষ ওভারে মোহামেডানের প্রয়োজন ছিল ১২ রান। প্রথম বল ডট খেলে দ্বিতীয় ডেলিভারিতে সিঙ্গেল নেন সাইফউদ্দিন। স্ট্রাইকে গিয়েই চার মারেন নাসুম। চতুর্থ বল আবার ডট, শেষ দু বলে জয়ের জন্য দরকার ৭ রান। পঞ্চম বলে ছক্কা মেরে নাসুম রান সমতায় আনেন। শেষ বলে সিঙ্গেল নিয়ে জয় তুলে নেন নাসুম।
মোহামেডানের হয়ে রনি তালুকদার ৫৫, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ৪৯, তাওহীদ হৃদয় ৩৭ রান করেন। শেষ দিকে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ৩০ রান এবং নাসুম ২১ রানের অপ্রতিরোধ্য ইনিংস খেলেন।
গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের হয়ে শামীম মিয়া ও ওয়াসি সিদ্দিকী নেন দুটি করে উইকেট।
আগামী সোমবার শেষ রাউন্ডের ম্যাচে মুখোমুখি হবে আবাহনী ও মোহামেডান। ম্যাচে যে দল জিতবে, তাদের হাতেই উঠবে শিরোপা। যদিও লিগে মোহামেডানের চেয়ে দুই পয়েন্ট এগিয়ে আছে আবাহনী। মোহামেডান জিতলে দুই দলের পয়েন্ট সমান হবে। মুখোমুখি লড়াইয়ে এগিয়ে থাকায় মোহামেডানের হাতে উঠবে শিরোপা। আর ম্যাচ পরিত্যক্ত হলে শিরোপা উঠবে আবাহনীর হাতে।








