অতিরিক্ত মুনাফার লোভের আশায় নির্দিষ্ট সময়ের আগেই অপরিপক্ক আম ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বাজারজাতের তৎপরতা শুরু করেছে অসাধু চক্র। মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর রাসায়নিকে পাকানো হচ্ছে এসব আম। জনস্বার্থে অসাধু ব্যবসায়ীদের রুখতে মাঠে নেমেছে প্রশাসন। বিষাক্ত ক্যামিকেলে পাকানো প্রায় ৯ হাজার কোজি আম ট্রাকে করে ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার সময় জব্দ করে জনসম্মুখে ধ্বংস করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও কালিগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আজাহার আলী জানান, গতকাল ৩০ এপ্রিল মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার চাম্পাফুল কালীবাড়ি এলাকায় আম জব্দ করার পর গাড়ির চাকায় পিষ্ট করে ধ্বংস করা হয় ভ্রাম্যমাণ আদালত। তবে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান শুরুর পূর্বে মালিকপক্ষ পালিয়ে যাওয়ায় তাদের আটক করা সম্ভব হয়নি। আমগুলো অপুষ্ট ও কেমিকেলের সাহায্যে পাকানো বলে নিশ্চিত হয়ে সেগুলো জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয়।
গত ২৮ এপ্রিল সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও সাতক্ষীরার উপপরিচালক একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানান, সাতক্ষীরা জেলায় এই বছর আমের মুকুল দেরীতে এসেছে। এখন পর্যন্ত জেলার কোথাও গোবিন্দভোগ, হিমসাগর, ল্যাংড়া আম পরিপক্ক অবস্থায় উপনীত হয়নি। জেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সংশ্লিষ্ট সকলকে নিয়ে সভা করে আম সংগ্রহের ক্যালেন্ডার প্রকাশ করবে। সে মোতাবেক গাছ থেকে আম সংগ্রহ ও বাজারজাত করতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে, অসদুপায় অবলম্বনে পাকানো অপরিপক্ক আম খাদ্য হিসেবে গ্রহণে ঝুঁকি রয়েছে জানিয়ে সবাইকে সতর্কতা অবলম্বনের অনুরোধ জানানো হয়েছে। অসদুপায় উপায় অবলম্বনে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে উপযুক্ত শাস্তি প্রদান করা হবে বলে ওই বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।








