ভারতের উত্তরপ্রদেশে মায়ের পাশে ঘুমন্ত নয় মাসের শিশুকন্যাকে অপহরণ করে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ১২ বছর বয়সী এক কিশোরের বিরুদ্ধে।
রোববার (২১ জুন) প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে এনডিটিভি জানিয়েছে, উত্তরপ্রদেশের গুলারিহা থানা এলাকায় শুক্রবার রাতে মদ্যপান করে এবং মোবাইলে পর্নোগ্রাফিক ভিডিও দেখার পর অভিযুক্ত কিশোর এই কাজ করে। তার মোবাইল ফোন থেকে ৫০টিরও বেশি অশ্লীল ভিডিও এবং ১০০টির অধিক পর্ণোগ্রাফিক ওয়েবসাইটের সার্চ ইতিহাস উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার ভোররাত আনুমানিক ২টার দিকে ভুক্তভোগী শিশুটি নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা গ্রাম ও আশপাশের মাঠে ব্যাপক তল্লাশি চালান। সকালে বাড়ি থেকে প্রায় ৫০০ মিটার দূরে একটি মাঠের টিনের শেডের কাছে রক্তাক্ত ও যন্ত্রণায় কাতর অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়।
পরিবারের লোকজন তাকে প্রথমে স্থানীয় কমিউনিটি হেলথ সেন্টারে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে তাকে বি আর ডি মেডিকেল কলেজে স্থানান্তর করা হয়। চিকিৎসকদের পরীক্ষায় শিশুটির ওপর যৌন নির্যাতনের প্রমাণ মেলে। বর্তমানে সে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে।
তদন্তে শিশুর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলার পর সন্দেহের তীর আসে চণ্ডীগড় থেকে তিন দিন আগে আসা ১২ বছর বয়সী এক আত্মীয় কিশোরের দিকে। রোববার তাকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে প্রথমে অসংলগ্ন বক্তব্য দিলেও পরে সে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে।
সিটি পুলিশ সুপার নিমেশ পাতিল বলেন, শিশুটি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছে। অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে এবং এই ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এই ঘটনায় শিশু সুরক্ষা ও পর্নোগ্রাফির সহজলভ্যতা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। পুলিশ তদন্ত অব্যাহত রেখেছে।







