গাজায় অব্যাহত ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর হামলায় আরও ৮২ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। যারমধ্যে ত্রাণ নিতে গিয়ে নিহত হয়েছেন ৪৯ জন। এর ফলে ২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে অনাহারজনিত মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬২ জনে, যার মধ্যে ৯২ জন শিশু।
বৃহস্পতিবার (২ আগস্ট) আল জাজিরা জানিয়েছে, শুক্রবার উপত্যকা জুড়ে ইসরায়েলি হামলায় ৮০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এরমধ্যে সাহায্য চাইতে গিয়ে ৪৯ জন নিহত এবং ২৭০ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ২৪ ঘন্টায় ক্ষুধা ও অপুষ্টিতে দুই শিশুসহ আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।
একজন মানবাধিকার কর্মকর্তা বলেছেন, ইসরায়েল গাজা উপত্যকায় বিশৃঙ্খলা ও গণহত্যা চালাচ্ছে। তারা খাদ্য সরবরাহ বন্ধ করে দিচ্ছে। এছড়াও খাদ্য সরবরাহের সময়ও অনাহারে থাকা ফিলিস্তিনিদের গুলি করে হত্যা করছে।
ফরাসি এমএসএফ দ্বারা পরিচিত ডক্টরস উইদাউট বর্ডার্সের গাজা প্রকল্প সমন্বয়কারী ক্যারোলিন উইলেমেন বলেছেন, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে সাহায্যের প্রবেশ বৃদ্ধি সত্ত্বেও অবরুদ্ধ ছিটমহলে খাদ্য এখনও দুর্লভ রয়ে গেছে।
এদিকে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী গাজায় সীমিত পরিসরে বিমান থেকে সাহায্য প্রদানে তিনটি ইউরোপীয় দেশকে অনুমতি দিয়েছে। তবে, গাজায় বিমান থেকে ত্রাণ ফেলা ব্যয়বহুল ও বিপদজ্জনক উল্লেখ করে জাতিসংঘ গাজায় ইসরায়েলকে নিরবচ্ছিন্ন ত্রাণ প্রবেশের আহ্বান জানিয়েছে।
জাতিসংঘের মানবিক বিষয়ক সমন্বয় অফিসের মুখপাত্র ওলগা চেরেভকো বলেছেন, মধ্য গাজায় আগের তুলনায় খাদ্য সরবরাহ বেড়েছে। কিন্তু তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম।








