আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হলো ২ পর্বে ৬ দিনের ৫৭তম বিশ্ব ইজতেমা। তুরাগ তীরে মুসলমানদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় জমায়েতের আখেরি মোনাজাতে বিশ্ব মানবতার মঙ্গল ও বাংলাদেশের শান্তি কামনা করেন লাখ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসল্লি।
রোববার ১১ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১টার পর মোনাজাত শেষ হওয়ার পর মুসল্লিরা টংগী মাঠ ছাড়তে শুরু করেন।
টংগীর তুরাগ তীরে লাখো মুসল্লি। মাইকে ভেসে আসছে বয়ানের আওয়াজ। সময়ের সাথে সাথে তুরাগপাড়ে মানুষের ভীড়ও বাড়ছে। মোনাজাতে অংশ নিতে ভোর থেকে মুসল্লিরা পায়ে হেঁটেই ইজতেমা মাঠে পৌঁছান।
তুরাগ তীরের ১৬০ একর আয়তনের মূল মাঠ তখন পরিপূর্ণ। দেশী-বিদেশী নানা বয়স ও পেশার মানুষ অপেক্ষা করতে থাকেন মোনাজাতের জন্য। মাঠে চলে সমাপনী বয়ান। লাখ লাখ মুসল্লির অপেক্ষা আখেরী মোনাজাতের জন্য।
এর মধ্যেই তাবলীগ জামাতের দিল্লীর নিজাম উদ্দিন মারকাসের সূরা সদস্য মাওলানা মোহাম্মদ ইউসুফ কান্দালভি আমন্ত্রণ জানান আখেরি মোনাজাতে অংশ নিতে। দূর দূরান্ত থেকে আসা মুসল্লিদের মধ্যে শুরু হয় মোনাজাতের জন্য ব্যাকুলতা। যে যার অবস্থানে থেকে কেবলামুখী হয়ে দু’হাত তুলে ধরেন।

লাখো মুসল্লির অংশগ্রহণে শুরু হয় কাঙ্খিত মোনাজাত। ‘আমিন, আল্লাহুম্মা আমিন’ ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে উঠে তুরাগ তীর।
এক পর্যায়ে মওলানা ইউসুফ বলেন, হে আল্লাহ, আমাদের সবাইকে ক্ষমা করে দাও, আমাদের কবুল করে নাও। খারাপ কাজ থেকে হেফাজত কর। সেই সময় অনেকেই দু’হাত তুলে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।
বিশ্ব মানবতার মঙ্গল ও কল্যাণ কামনা করা হয় আখেরি মোনাজাতে। মুসল্লিরা দোয়া করেন শান্তি আর সমৃদ্ধিময় প্রিয় মাতৃভূমির জন্য।







