হলিউড সিনেমাতে নানা সময়ে উঠে এসেছে নারীদের সংগ্রাম ও বিজয়গাঁথার নানান কাহিনী। সিনেমা মানে নারীর গ্ল্যামার নয়, এ ধারণার পরিবর্তন হয়েছে। শনিবার (৮ মার্চ) বিশ্ব নারী দিবস। দিনটি সামনে রেখে জেনে নিন নারীদের প্রেরণা যোগানো তেমন ৫ ছবির কথা
লিটল ওমেন (২০১৯)
লুইসা মে অ্যালকটের বিখ্যাত উপন্যাসের উপর ভিত্তি করে নির্মিত এই সিনেমাটি চার বোনের জীবন সংগ্রাম, স্বপ্ন পূরণ ও স্বাধীনতার জন্য লড়াইয়ের গল্প তুলে ধরে। ছবিটি নারীর স্বাবলম্বিতা, পারিবারিক বন্ধন এবং আত্মবিশ্বাস নিয়ে তৈরি একটি অনুপ্রেরণামূলক কাহিনী। এটি পরিচালনা করেছেন গ্রেটা গারউইগ।
হিডেন ফিগারস (২০১৬)
ষাটের দশকে নাসায় কর্মরত তিন কৃষ্ণাঙ্গ নারীর গল্প নিয়ে তৈরি হয়েছে এই সিনেমা। কর্মক্ষেত্রে নানা বৈষম্যের শিকার হতে দেখা যায় তাদের। কিন্তু তাদের মেধার কাছে সব হার মানে।
ক্যারল (২০১৫)
ক্যারল-এর প্রধান ও কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন কেট ব্লানচেট। বিবাহ বিচ্ছেদের পরে সমলিঙ্গের এক নারীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া নিয়ে তৈরি হয়েছে ছবির কাহিনী।
দ্য হেল্প (২০১১)
ছবিটির মূল গল্প আবর্তিত হয়েছে ‘৬০-এর দশকে আমেরিকায় কৃষ্ণাঙ্গদের নাগরিক অধিকার আন্দোলনের সময় ইউজিনিয়া স্কিটার ফিল্যান নামের একজন শ্বেতাঙ্গ তরুণীর সাথে দু’জন কৃষ্ণাঙ্গ গৃহপরিচারিকা অ্যাবিলিন ক্লার্ক আর মিনি জ্যাকসনের সম্পর্ককে ঘিরে। একজন সাংবাদিক হিসেবে স্কিটার সিদ্ধান্ত নেয়, মিসিসিপির জ্যাকসন শহরের শ্বেতাঙ্গ পরিবারগুলোতে গৃহপরিচারিকার কাজ করার সময় কৃষ্ণাঙ্গ মহিলারা যেসব বর্ণবাদের শিকার হয়, সে সব ঘটনা নিয়ে সে একটি বই লিখবে।
আয়রন লেডি (২০১১)
আয়রন লেডি ছবিতে মেরিল স্ট্রিপ অভিনয় করেছেন মার্গারেট থ্যাচার এর চরিত্রে। মার্গারেট থ্যাচার ছিলেন ইংল্যান্ডের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী যিনি নারী পুরুষের ভেদাভেদ দূর করার জন্য সচেষ্ট ছিলেন সবসময়।








