ভারতের নাগপুরের প্রাণী উদ্ধারকেন্দ্রে তিনটি বাঘ এবং একটি চিতাবাঘের মৃত্যুর কারণ বার্ড ফ্লু বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। মূলত মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে এ তথ্য।
রোববার (৫ জানুয়ারি) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি উদ্ধারকেন্দ্রের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, কীভাবে চারটি প্রাণীর হঠাৎ মৃত্যু হলো, তা নিয়ে সন্দেহ বাড়ছিল। তার পরই বাঘগুলোর নমুনা পরীক্ষার জন্য ল্যাবে পাঠানো হয়। সম্প্রতি সেই রিপোর্ট এসেছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, বাঘগুলোর মৃত্যু হয়েছে বার্ড ফ্লু-য়ে আক্রান্ত হয়ে।
নাগপুরের গোরেওয়াড়া প্রাণী উদ্ধারকেন্দ্রে চারটি বাঘকে আহত অবস্থায় আনা হয়েছিল। সেখানেই প্রাণীগুলোর চিকিৎসা চলছিল। গত বছরের ডিসেম্বরে চন্দ্রপুরে চারটি পৃথক ঘটনায় লোকজনের হামলার পর আহত অবস্থায় বাঘগুলোকে উদ্ধার করে গোরেওয়াড়ায় নিয়ে আসা হয়। সেখানেই প্রাণীগুলোর চিকিৎসা চলছিল।
জানা যায়, ২০ ডিসেম্বর প্রথমে একটি বাঘের মৃত্যু হয়। ২৩ ডিসেম্বর মৃত্যু হয় আরও দু’টি বাঘের। তাদের মৃত্যুর পরই নমুনা পাঠানো হয় ভোপালের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হাই সিকিউরিটি অ্যানিমাল ডিজ়িজ়েস (নিশাদ)-এ। তার মধ্যে আরও একটি চিতাবাঘের মৃত্যু হয়। গত ১ জানুয়ারি রিপোর্ট আসে। উদ্ধারকেন্দ্র থেকে জানানো হয়, বার্ড ফ্লু-য়ে আক্রান্ত হয়েছিল প্রাণীগুলো। কিন্তু কীভাবে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলো বাঘগুলো, কোথা থেকে এই সংক্রমণ ছড়াল, তা নিয়েই উদ্বেগ বাড়ছে।
জানা যায়, ওই উদ্ধারকেন্দ্রে ২৬টি চিতাবাঘ এবং ১২টি বাঘ রয়েছে। এই ঘটনার পর সব ক’টি প্রাণীরই নমুনা পরীক্ষা করানো হয়। কিন্তু ৩৮টি বাঘই সুস্থ রয়েছে বলে দাবি উদ্ধারকেন্দ্রের। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই মহারাষ্ট্রজুড়ে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
প্রাণীগুলোকে খাবার হিসেবে যে মাংস দেওয়া হয়েছিল সেগুলো থেকে সংক্রমণ হয়েছে কি-না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানানো হয়।








