চ্যানেল আইয়ে সংবাদ প্রচারের পর অবশেষে সরকারি হস্তক্ষেপে সৌদি আরবে আটকে পড়া ৩৩ জন ওমরাহ যাত্রী দেশে ফিরতে যাচ্ছেন।
বুধবার (২২ এপ্রিল) ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ-এর নির্দেশে জেদ্দা-এ অবস্থিত বাংলাদেশ কনস্যুলেটের একটি প্রতিনিধি দল ভুক্তভোগী যাত্রীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন কনসাল জেনারেল মো. সাখাওয়াত হোসেনে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কমার্শিয়াল কাউন্সেলর সৈয়দা নাহিদা হাবিবা, হজ মিশনের কাউন্সেলর মো. কামরুল ইসলাম এবং কনস্যুলার এ এস এম সায়েম।
কনসাল জেনারেল জানান, যেসব যাত্রী ১৮ এপ্রিলের মধ্যে দেশে ফিরতে না পারায় ভিসা জটিলতায় পড়েছিলেন, তাদের সমস্যা দ্রুত সমাধান করে দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ভুয়া টিকিটের মাধ্যমে যাত্রীদের সৌদি আরবে নিয়ে এসে সময়মতো দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা না করায় সংশ্লিষ্ট মাস্ক হজ গ্রুপ ট্রাভেল এজেন্সির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রতারণা এড়াতে বৈধ ও সরকার অনুমোদিত ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে ভ্রমণের আহ্বান জানান তিনি।
এদিকে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, হজ ব্যবস্থাপনার মতো একটি সমন্বিত ‘ওমরা পোর্টাল’ চালু করা জরুরি। যেখানে যাত্রীদের এজেন্সি তথ্য, পাসপোর্ট, হোটেল বুকিং ও বিমান টিকিট যাচাই নিশ্চিত করে তবেই বিদেশ যাত্রার অনুমতি দেওয়া হবে। তারা আরও প্রস্তাব করেন, ওমরা যাত্রীদের কাছ থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ নিয়ে একটি ‘ওমরা কল্যাণ তহবিল’ গঠন করা হলে ভবিষ্যতে এমন সংকটে দ্রুত সহায়তা দেওয়া সম্ভব হবে। বর্তমানে এ ধরনের কোনো তহবিল না থাকায় বিদেশে বিপদে পড়া যাত্রীরা তাৎক্ষণিক সহায়তা পেতে বেগ পোহান। একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা চালু করতে পারলে ওমরা যাত্রীদের নিরাপত্তা ও সেবা নিশ্চিত করা সহজ হবে।








