ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় গত দুই মাসে বিজিবির হাতে আটক হয়েছে প্রায় ৩০০ জন। স্থানীয়রা বলছেন, বিজিবির পাহাড়াকে ফাঁকি দিয়ে আরও অনেকে মানুষ সীমান্ত পার হয়ে যাচ্ছে।
ঝিনাইদহ জেলা শহর থেকে ১১০ কিলোমিটার দুরে মহেশপুর সীমান্ত। ওপারে ভারতের নদীয়া জেলার হাসখালী ও উত্তর চব্বিশপরগনার বাগদা থানা। আর বাংলাদেশের অংশ ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলা।
৭৮ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকার ৬৮ কিলোমিটার রয়েছে তারকাটার বেড়া। আর বাকি ১০ কিলোমিটার বাংলাদেশের অংশ পুরোটাই অরক্ষিত। বাংলাদেশ সীমান্তের তারকাটাবিহীন এই এলাকাটাকেই নিরাপদ রুট হিসেবে বেছে নিয়েছে অনেকেই। স্থানীয় দালাল সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ভারতে পাড়ি জমাচ্ছেন তারা।
মহেশপুর ব্যাটালিয়ন (৫৮ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্ণেল শাহ মোঃ আজিজুস শহীদ বলেন, সীমান্ত দিয়ে অবৈধ পাচার রোধে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বিজিবি। সীমান্ত ব্যবহার করে যেন দুর্নীতিবাজ ও চোরাকারবারীরা ভারতে পাড়ি জমাতে না পারে যে জন্য টহল জোরদার করা হয়েছে।
মহেশপুরের সীমান্ত এলাকায় বিজিবির রয়েছে মাত্র ১২টি বিওপি বা ক্যাম্প। গত দুই মাসে এসব সীমান্ত থেকে আটক করা হয়েছে ১৪ পাচারকারীসহ ৩০০ জন ব্যক্তিকে।








