ঘোষণা করা হয়েছে চলতি বছর অর্থাৎ ২০২৪ সালের রসায়নে নোবেল জয়ী তিনজন গবেষকের নাম। রসায়নে এবছর নোবেল পুরস্কার লাভ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ডেভিড বেকার, যুক্তরাজ্যের ডেমিস হাসাবিস এবং জন জাম্পার। নোবেল পুরষ্কারের অর্ধেক অর্থ পাবেন ডেভিড বেকার একাই এবং বাকি অর্ধেক ডেমিস হাসাবিস ও জন জাম্পারকে ভাগ করে দেওয়া হবে।
আজ ৯ অক্টোবর বুধবার সুইডেনের স্টকহোমে বাংলাদেশ সময় বেলা ৩টা ৪৫ মিনিটে রসায়নে বিশেষ অবদানের জন্য ডেভিড বাকের, ডেমিস হাসাবিস এবং জন জাম্পারের নাম ঘোষণা করা হয়। “কম্পিউটেশনাল প্রোটিন ডিজাইনের জন্য” ডেভিড বেকারকে এবং ডেমিস হাসাবিস ও জন জাম্পারকে “প্রোটিন গঠনের পূর্বাভাসের” জন্য নোবেল পুরস্কার দেয়া হয়েছে।
ডেমিস হাসাবিস এবং জন জাম্পার সফলভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে প্রায় সমস্ত পরিচিত প্রোটিনের গঠনের পূর্বাভাস দিয়েছেন। আর ডেভিড বেকার কীভাবে জীবন গঠনের বিল্ডিং ব্লকগুলো আয়ত্ত করতে এবং সম্পূর্ণ নতুন প্রোটিন তৈরি করার ধারণা দিয়েছেন।
গত বছর অর্থাৎ ২০২৩ সালে রসায়নে যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের মউঙ্গি বাভেন্ডি, লুই ই ব্রাস এবং আলেক্সি একিমভক। কোয়ান্টাম ডট প্রযুক্তি আবিষ্কারের জন্য স্বীকৃতিস্বরূপ যুক্তরাষ্ট্রের এই তিন গবেষককে নোবেল দেয়া হয়।

প্রতিবছর অক্টোবর মাসের প্রথম সোমবার থেকে নোবেল বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা শুরু হয়। গত ৭ অক্টোবর এবছর নোবেল জয়ীদের নাম ঘোষণার প্রথম দিনেই চিকিৎসাশাস্ত্রে পুরস্কার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। চিকিৎসাশাস্ত্রে ২০২৪ সালে যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছেন ভিক্টর অ্যামব্রোস এবং গ্যারি রুভকুন। মাইক্রোআরএনএ আবিষ্কার এবং পোস্ট-ট্রান্সক্রিপশনাল জিন নিয়ন্ত্রণে এর ভূমিকার জন্য তারা এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।
প্রতি বছর ছয়টি বিভাগে নোবেল বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। গতকাল চিকিৎসাশাস্ত্রে পুরস্কার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। গতকাল ঘোষণা করা হয়েছে পদার্থবিদ্যায় নোবেল বিজয়ীর নাম। এছাড়াও বৃহস্পতিবার ১০ অক্টোবর সাহিত্য শাখায় পুরস্কার জয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে। শান্তি পুরস্কার বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে শুক্রবার ১১ অক্টোবর। নরওয়ে থেকে শান্তি পুরস্কার ঘোষণা করা হয়ে থাকে। আর অন্যান্য পুরস্কারগুলোর ঘোষণা আসে সুইডেন থেকে।
সুইডিস বিজ্ঞানী আলফ্রেড নোবেলের নামে ও তার রেখে যাওয়া অর্থে প্রতি বছর নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়। তিনি ডাইনামাইটের উদ্ভাবক ছিলেন। তার মৃত্যুর পাঁচ বছর পর ১৯০১ সাল থেকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য এই পুরস্কার দেওয়া শুরু হয়।








