দেশের উপকূল অতিক্রম করছে প্রবল ঘূর্ণিঝড় রেমালের কেন্দ্র। প্রবল এই ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে উপকূলীয় ভোলায় এখন পর্যন্ত তিন জনের মৃত্যুর হয়েছে। এছাড়া গতকাল রোববারের ঝড়, বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হওয়ার আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটিয়েছে ভোলার উপকূলীয় এলাকার লক্ষাধিক মানুষ।
সোমবার ২৭ মে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘূর্ণিঝড় রেমালের তাণ্ডবে ভোলার লালমোহন, বোরহানউদ্দিন এবং দৌলতখানে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।
মৃতদের মধ্যে মনোজা খাতুন (৫৪) নামের এক নারীও রয়েছে। এছাড়া বোরহানউদ্দিনে জাহাঙ্গীর (৫০) ও দৌলতখানে মাইশা (৪) নামের এক নারীর প্রাণহানী হয়। সকাল ৯টার দিকে এই তথ্য নিশ্চিত করে আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেসা।
সোমবার (২৭ মে) সকাল ৯টার দিকে আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেসা জানান, ‘প্রবল ঘূর্ণিঝড় রেমাল ১০টা থেকে ১১টার দিকে সাধারণ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে। এরপর এটি নিম্নচাপে পরিণত হবে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সারাদেশেই আজ বৃষ্টি হবে।’
ঘূর্ণিঝড় নিয়ে আবহাওয়ার ১৮ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রবল ঘূর্ণিঝড় রেমাল উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে উপকূল অতিক্রম সম্পন্ন করে বর্তমানে কয়রা ও খুলনার নিকট অবস্থান করছে।
প্রবল ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৬৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৯০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ১২০ কিলোমিটারের পর্যন্ত বাড়ছে।







