ভারতের হরিয়ানায় দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষে দুই হোম গার্ডসহ ৩ জন নিহত এবং কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, নুহের খেদলা মোডে একটি ধর্মীয় মিছিল থামানোর চেষ্টা করার সময়, পাথর নিক্ষেপ এবং গাড়িতে আগুন দেয়ার চেষ্টা করায় হোম গার্ডদের গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল। পরে রাতভর সহিংসতায় আরও একজন নিহত হয়েছেন। সহিংসতায় গতকাল রাত থেকেই সারা এলাকায় ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
সোমবার (৩১ জুলাই) হরিয়ানার নুহ সংলগ্ন গুরুগ্রামে একটি ধর্মীয় মিছিল চলাকালীন সংঘর্ষ শুরু হয়। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (ভিএইচপি) দ্বারা আয়োজিত ব্রিজ মণ্ডল জলাভিষেক যাত্রা গুরুগ্রাম-আলওয়ার জাতীয় সড়কে একদল যুবক থামিয়ে দিয়েছিল। সহিংসতা বাড়ার সাথে সাথে জনতা সরকারি ও বেসরকারি যানবাহনকে লক্ষ্যবস্তু করে।
সন্ধ্যার দিকে সহিংসতা গুরুগ্রাম-সোহনা মহাসড়কে ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে বেশ কয়েকটি গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছিল এবং পুলিশকে পাথর নিক্ষেপ করা হয়েছিল। প্রায় ২ হাজার ৫০০ মানুষ মিছিলে অংশ নিতে নুহতে এসেছিলেন। তারা বাইরের সহিংসতার কারণে একটি মন্দিরে আটকা পড়েছিলেন। পরে সন্ধ্যায় পুলিশ তাদের উদ্ধার করে।
পুলিশ সহিংসতা-কবলিত জেলাগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করেছে এবং এই অঞ্চলে শান্তি ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করার জন্য দুই সম্প্রদায়ের নেতাদের কাছে আবেদন করেছে। মঙ্গলবার ভারতীয় সময় সকাল ১১টায় নুহতে দুই সম্প্রদায়ের সদস্যদের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।







