মেঘনায় উত্তাল ঢেউ আর প্রবল বাতাসের কারণে হাতিয়া, ভাসানচর ও স্বর্ণদ্বীপের আশপাশে অন্তত ২৯টি মাছ ধরার ট্রলার ডুবে গেছে। ডুবে যাওয়া এসব ট্রলার থেকে শতাধিক জেলেকে উদ্ধার করেছেন স্থানীয়রা। এসব ঘটনায় এখন পর্যন্ত নিখোঁজ রয়েছেন ২৭ জেলে। এছাড়াও ঝড়ো বাতাসের কারণে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন ৬টি মাছ ধরার ট্রলারে থাকা জেলেরা।
রোববার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে ডুবে যাওয়া ট্রলার থেকে ওই শতাধিক জেলেকে উদ্ধার করেন স্থানীয়রা।
এদিকে নোয়াখালীতে টানা বৃষ্টির কারণে আবারও অবনতি হয়েছে বন্যা পরিস্থিতি। বেগমগঞ্জ, সদর, সেনবাগ ও সোনাইমুড়ি উপজেলার পাশাপাশি নতুন করে প্লাবিত হয়েছে সুবর্ণচর ও হাতিয়া উপজেলার নতুন নতুন এলাকা।
নোয়াখালী জেলায় পানিবন্দি মানুষ এক লাখ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২ লাখ ৬৫ হাজারে। আশ্রয়কেন্দ্রে নতুন করে ৫ হাজার মানুষ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪০ হাজার ৬০০ জনে। ঝড়ো বাতাসে বিদ্যুতের তারের উপর গাছ উপড়ে পড়ে তিন দিন ধরে গ্রামীন এলাকা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।







