এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
কক্সবাজারের টেকনাফের শাহপরীরদ্বীপ সমুদ্র উপকূলে স্পিডবোট ডুবে নিখোঁজ তিন জনের মধ্যে দুই জনের মরদেহ পাওয়া গেছে।
শুক্রবার ২৬ জুলাই সকালে টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপের পশ্চিমে সৈকত এলাকা থেকে দুই জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মৃত মো ফাহাদ (২৮) ও মো. ইসমাইল (২৭) সেন্টমার্টিন দ্বীপের কোনার পাড়ার বাসিন্দা। এ দুজন ছিলেন স্পিডবোটের আরোহী এবং ট্রলারের যাত্রীদের উদ্ধারকারী দলের সদস্য।
টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মো ওসমান গনি মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, শুক্রবার সকালে টেকনাফের বাহারছরা বড় ডেইল সমুদ্র সৈকতে দুটি মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে শামলাপুর পুলিশ মরদেহ দুটি উদ্ধার করে এবং সেন্টমার্টিন দ্বীপে স্বজনদের খবর দেয়। দুপুরে টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপের জেটিতে এসে স্বজনেরা মরদেহ দুটি গ্রহণ করেন বলে সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান জানান।
গত বুধবার দুপুর আড়াই টার দিকে টেকনাফ থেকে নিত্য পণ্য ও যাত্রী নিয়ে সেন্টমার্টিনদ্বীপ যাওয়ার পথে শাহপরীর দ্বীপের অদূরে সাগরের গোলারচর মোহনায় এফবি সাদ্দাম নামের একটি ফিশিং ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটে। ট্রলারটিতে ৬ জন মাঝিমাল্লা এবং ১১ জন যাত্রী ছিল। ট্রলারটি দুপুর আড়াই টার দিকে শাহপরীর দ্বীপ অতিক্রম করে বঙ্গোপসাগরের গোলারচর মোহনায় পৌঁছলে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কবলে পড়ে ডুবে যায়। ঘটনার পর পরই সেন্টমার্টিন ঘাট থেকে কয়েকটি ফিশিং ট্রলার, কয়েকটি স্পিডবোট সাগরে উদ্ধার কাজ শুরু করে। শেষ পর্যন্ত ট্রলারের ১৬ জনকে উদ্ধার করে তারা। ট্রলারের যাত্রী নুর মোহাম্মদ শওকত (২২) এর খোঁজ পাওয়া যায়নি। শওকত সেন্টমার্টিন ইউনিয়নের বাসিন্দা ও টেকনাফ সরকারি কলেজের ছাত্র।
জানা যায়, বুধবার সন্ধ্যার দিকে সাগরে উদ্ধার কাজের এক পর্যায় একটি স্পিডবোট প্রচন্ড ঢেউয়ে ডুবে যায় এবং নিখোঁজ হয় উদ্ধারকারী মো ফাহাদ (২৮) ও মো. ইসমাইল (২৭)। এসময় স্পিডবোটে থাকা অপর তিনজন উদ্ধারকারী আব্দুল্লাহ, আরিফ ও উম্মত আলী বুধবার রাত ১০টার দিকে সাঁতরে শাহপরীরদ্বীপ ও সাবরাং উপকূল দিয়ে তীরে উঠে।







