রাজধানীর পল্লবী থানার বাউনিয়াবাধ এলাকায় মাদক ব্যবসায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে গুলিবর্ষণে এক নারী নিহত হওয়ার ঘটনায় সেনাবাহিনীসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যৌথ অভিযানে হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত ২ আসামীকে দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাউনিয়াবাধের এই হত্যাকাণ্ডের মাত্র ৩৬ ঘন্টার মধ্যেই মামলার ১ নম্বর এজাহারনামীয় পলাতক আসামী মো: মোমিন (৩৫) কে র্যাব-১, উত্তরা ও র্যাব-৪, মিরপুর-১ এর যৌথ অভিযানে ১ নভেম্বর মধ্যরাতে গাজীপুর মহানগরস্থ গাছা থানাধীন উত্তর পাড়া থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এই মামলার অন্যান্য পলাতক আসামীদেরকে গ্রেপ্তারের জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জোর প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, সন্ত্রাস ও মাদকের বিরুদ্ধে চলমান এই অভিযানের ধারাবাহিকতায় শুক্রবার মধ্যরাতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৬ স্বতন্ত্র এডিএ ব্রিগেড কর্তৃক বাউনিয়াবাধ এলাকার মাদকের স্পটে যৌথ অভিযান পরিচালনা করে রেহানা আক্তার এবং খাদিজা খদি নামের দুজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীকে ১ কেজি গাঁজা, ১১ টি পুরিয়া এবং মাদক বিক্রয়ের নগদ ৩৮, ১৫০ টাকাসহ হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়।
খাদিজা খদির নামে মাদকসহ সর্বমোট ৪টি মামলা রয়েছে। আটককৃত মাদক ব্যবসায়ীদেরকে প্রয়োজনীয় জিজ্ঞাসাবাদ ও আইনী কার্যক্রম সম্পন্নের জন্য পল্লবী থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
সম্প্রতি পল্লবী এলাকা থেকে যৌথবাহিনীর ধারাবাহিক অভিযানে কুখ্যাত সন্ত্রাসী কিশোর গ্যাং এর লিডার আশিক, পারভেজ, রাজ আহমেদ ভুলু এবং কিলার মামুনের অন্যতম সহযোগী সন্ত্রাসী জাকিরসহ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঘটনায় দায়েরকৃত বিভিন্ন হত্যা মামলার সর্বমোট ৮ জন এজাহারভুক্ত সন্ত্রাসী ও আসামীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
দেশের যুবসমাজকে মাদকের অভিশাপ থেকে মুক্ত রাখতে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানায় তারা।
উল্লেখ্য; রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে সন্ত্রাসীদের দুই গ্রুপের গোলাগুলিতে এক নারী নিহত হয়েছেন। নিহত ওই নারীর নাম আয়েশা আক্তার (২৬)। বুধবার (৩০ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর পল্লবী বাউনিয়া বাঁধ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।








