চট্টগ্রাম বন্দরে এক সপ্তাহের মধ্যে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) বহনকারী তিনটি ট্যাংকার পৌঁছাতে যাচ্ছে। এর মধ্যে একটি ইতোমধ্যে বাংলাদেশের জলসীমায় পৌঁছেছে, আর বাকি দুটি আগামী বুধবারের (৮ এপ্রিল) মধ্যে বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। তিনটি ট্যাংকারে মোট প্রায় ১ লাখ ৯৩ হাজার টন এলএনজি রয়েছে।
বন্দর সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) অস্ট্রেলিয়া থেকে ৬১ হাজার ৯৯৭ টন এলএনজি নিয়ে ‘এইচএল পাফিন’ নামের একটি ট্যাংকার কুতুবদিয়া উপকূলে পৌঁছেছে। এছাড়া ইন্দোনেশিয়া থেকে ৬১ হাজার টন এলএনজি নিয়ে ‘নিউ ব্রেভ’ এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রায় ৭০ হাজার টন এলএনজি নিয়ে ‘সেলসিয়াস গ্যালাপাগোস’ নামের আরও দুটি ট্যাংকার আগামী বুধবারের মধ্যে বন্দরে ভিড়বে।
ট্যাংকার দুটির স্থানীয় প্রতিনিধি ইউনি গ্লোবাল বিজনেস লিমিটেডের জ্যেষ্ঠ উপমহাব্যবস্থাপক মো. নুরুল আলম জানিয়েছেন, বর্তমান সময়সূচি অনুযায়ী ট্যাংকার দুটি নির্ধারিত সময়েই পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
বাংলাদেশে আমদানি করা এলএনজির প্রায় ৭০ শতাংশই কাতার থেকে আসে। তবে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে এ সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে কাতার থেকে দুটি এলএনজি ট্যাংকার আসার কথা থাকলেও তা এখনো পৌঁছায়নি। এর মধ্যে একটি ট্যাংকার রাস লাফান বন্দর থেকে এলএনজিবোঝাই অবস্থায় আটকে রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, চলতি মাসে এখন পর্যন্ত দেশে সাতটি এলএনজিবাহী ট্যাংকার এসেছে, যেখানে স্বাভাবিক সময়ে প্রতি মাসে ১০ থেকে ১১টি ট্যাংকার আসে।
রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান পেট্রোবাংলা দেশের জন্য এলএনজি আমদানি করে থাকে। সংস্থাটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যের অনিশ্চয়তার মধ্যে বিকল্প উৎস থেকে এলএনজি সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনা থাকলেও আপাতত বড় ধরনের সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা দেখছেন না তারা।








