ভারতের নয়াদিল্লিতে ছাত্র বিক্ষোভের কারণে সুপ্রিম কোর্ট মেট্রো স্টেশনসহ ১৬টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ থাকার বিষয়টি বৃহস্পতিবার ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নজরে আনা হয়। তিনি জানান, দুপুরের মধ্যে সমাধান না হলে তিনি হস্তক্ষেপ করবেন এবং আইনজীবীদের অনুপস্থিতির কারণে কোনো বিরূপ নির্দেশ দেওয়া হবে না।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।
সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র নেতৃত্বে যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ তীব্র হওয়ায় গত কয়েকদিন ধরে মধ্য দিল্লির বেশ কয়েকটি মেট্রো স্টেশন বন্ধ রয়েছে। বিক্ষোভের কারণে বৃহস্পতিবারও সুপ্রিম কোর্ট মেট্রো স্টেশন অন্তত ১৬টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ ছিল।
সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বিকাশ সিং শীর্ষ সুপ্রিম কোর্টের আশেপাশের গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনগুলো বন্ধ থাকার বিষয়টি আদালতে উত্থাপন করে বলেন, অনেক আইনজীবী ও আদালতের কর্মীরা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন এবং সময়মতো আদালতে পৌঁছাতে পারছেন না। এ বিষয়ে তিনি ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তকে হস্তক্ষেপ করার জন্য অনুরোধ করেন। এর জবাবে প্রধান বিচারপতি বলেন, দুপুরের আগে কিছু না হলে তিনি হস্তক্ষেপ করবেন।
বিকাশ সিং প্রধান বিচারপতিকে বলেন, বৈধ সুপ্রিম কোর্ট প্রবেশপত্রধারী ব্যক্তি এবং রেজিস্ট্রি কর্মীদের যথাযথ নিরাপত্তা স্ক্রিনিংয়ের পর সুপ্রিম কোর্ট মেট্রো স্টেশন থেকে বের হওয়ার অনুমতি দেওয়া উচিত। বাকিদের অন্য ট্রেনে করে চলে যেতে বলা যেতে পারে। ফলে মানুষ ট্রেনটি ব্যবহার করতে পারবে।
এই উদ্বেগের জবাবে প্রধান বিচারপতি বলেন, সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনকে ইতোমধ্যেই মেট্রো কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে বলা হয়েছে। তিনি বার অ্যাসোসিয়েশনকে আশ্বাস দেন, বিষয়টি অমীমাংসিত থাকলে তিনি ব্যক্তিগতভাবে হস্তক্ষেপ করবেন।
প্রধান বিচারপতি বলেন, “দুপুরের খাবারের সময়ের মধ্যে মেট্রো স্টেশন খোলার জন্য কিছু না হলে আমি হস্তক্ষেপ করব। আমরা নির্দেশ দিয়েছি, আইনজীবীদের অনুপস্থিতির জন্য আজ যেন কোনো প্রতিকূল আদেশ জারি না করা হয়।”
এদিকে বৃহস্পতিবার সকালে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্ট মেট্রো স্টেশনসহ ১৬টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে দিল্লি মেট্রো।







