আসন্ন পবিত্র হজে অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশের ৭৮ হাজার ৫০০ হজযাত্রীর শতভাগ ভিসা সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ।
শনিবার (১১ এপ্রিল) কিং আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-এর ভিআইপি লাউঞ্জে জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ তথ্য জানান। এর আগে তিনি মিনা, মুজদালিফা ও আরাফাত ময়দান-এ তাবু নির্ধারণসহ সার্বিক ব্যবস্থাপনা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।
ধর্মমন্ত্রী বলেন, হজযাত্রীদের জন্য মক্কা-মদিনায় আবাসন ও পরিবহন ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা হয়েছে। হজযাত্রীরা যাতে নির্বিঘ্নে ও স্বাচ্ছন্দ্যে হজ পালন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, মক্কা বাংলাদেশ হজ মিশন, জেদ্দা বাংলাদেশ কনস্যুলেট, রিয়াদ বাংলাদেশ দূতাবাস এবং ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে যৌথভাবে হজ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম পরিচালিত হবে। হজযাত্রীদের ‘আল্লাহর মেহমান’ উল্লেখ করে তাদের সার্বিক সেবাকে দায়িত্ব হিসেবে দেখার কথা বলেন তিনি।
এ সময় জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন, কাউন্সিলর (হজ) মো. কামরুল ইসলাম, কনসাল (হজ) মাজহারুল ইসলামসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
ধর্মমন্ত্রী বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠনের পর প্রথম হজ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশী হাজীদের জন্য সুষ্ঠ ও স্বাচ্ছন্দে হজ ব্রত করার যাবতীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। হাজিরা যাতে কোন ধরনের সমস্যার সম্মুখীন না হন এই বিষয়ে মক্কা বাংলাদেশ হজ মিশন, জেদ্দা বাংলাদেশ কনস্যুলেট, রিয়াদ বাংলাদেশ দূতাবাস এবং ধর্ম মন্ত্রণালয় সমন্বয়ের মাধ্যমে যৌথভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
হাজিরা আল্লাহ মেহমান তাদের সার্বিক সহযোগিতার মাধ্যমে হজ পালন করে দেশে ফিরিয়ে নেয়া পর্যন্ত কর্তব্য বলে মনে করেন ধর্মমন্ত্রী।
উল্লেখ্য, আগামী ১৮ এপ্রিল থেকে বাংলাদেশি হজযাত্রীদের প্রথম ফ্লাইট শুরু হবে। সবকিছু ঠিক থাকলে ৯ জিলহজ (২৭ মে) হজ-এর মূল আনুষ্ঠানিকতা আরাফাত ময়দান-এ অবস্থানের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে। সৌদি হজ ও উমরা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর বিশ্বব্যাপী প্রায় ২০ লাখ মুসল্লি হজব্রত পালন করবেন।







