মানুষ তার পরিচয় নানা কারণেই ভুলে যায়। জাত, বর্ণ, অর্থ, ধর্মসহ নানা কিছু মানুষের মধ্যে পার্থক্য গড়ে দেয়। তখন মানুষ হয়ে ওঠে অমানবিক, তাদের মধ্যে তৈরি হয় বৈষম্য। কিন্তু মানুষ যখন মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়ায়, তখন সে ভুলে যায় সব ব্যবধান।
তার পরিচয় আর ধনী গরিব কিংবা সাদা কালো হয়ে ওঠে না। সে হয়ে ওঠে মানবিক, কেবলই মানুষ। এমন মানবিক এক গল্পের নাটক ‘১০ মিনিট’-এ অভিনয় করলেন আরশ খান ও সুনেরাহ বিনতে কামাল।
এই নাটকের মাধ্যমে অভিষেক হচ্ছে তরুণ নির্মাতা শরীফ নাসরুল্লাহর। নাটকটির গল্প ও চিত্রনাট্য লিখেছেন নাট্যকার ও সাংবাদিক অপূর্ণ রুবেল।
সাংবাদিকতা পেশায় যুক্ত থাকার পাশাপাশি পরিচালনার প্রতি আলাদা এক টান অনুভব করতেন শরীফ নাসরুল্লাহ। সেই টান থেকেই তিনি চলচ্চিত্র পরিচালনা নিয়ে একাধিক কোর্সও সম্পন্ন করেছেন। ‘১০ মিনিট’ নির্মাণের মধ্য দিয়ে এবার নাসরুল্লাহ শুরু করলেন নির্মাণ যাত্রা।
নির্মাতা শরীফ নাসরুল্লাহ বলেন, এই নাটকের মধ্যমে আমরা মানবিক গল্প বলার চেষ্টা করেছি। চারদিকে মানুষের মধ্যে নানাকিছু নিয়ে অমানবিক সব কর্মকাণ্ড চলে। কিন্তু এর মধ্যেও এমন কিছু ঘটনা ঘটে যা আমাদের কঠিন হয়ে যাওয়া মনকে একটু খানি মমতা, ভালোবাসার সুবাস ছড়িয়ে দেয়। ১০ মিনিট আমাদের মধ্যে সেই ভালোবাসার সুবাস ছড়িয়ে দেবে।
নাট্যকার ও সাংবাদিক অপূর্ণ রুবেল বলেন, এটা আসলে এমন একটি গল্প যেটা এই শহরের যেকোনো মানুষের সঙ্গে যেকোনো সময় ঘটতে পারে। বৈষম্যবিহীন সমাজের ভাবনা থেকেই এই গল্পের ভাবনা মাথায় এসেছে। যেটা দুজন অভিনয় শিল্পী আরশ খান ও সুনেরাহ বিনতে কামাল সুন্দর করে তুলে এনেছেন। এটার পেছেন পরিশ্রম করেছে নির্মাতাসহ প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের সবাই।
যোগ করে বলেন, শরীফ নাসরুল্লাহ সাংবাদিক হলেও তার মনপ্রাণে একজন নির্মাতা মন লুকিয়ে আছে, সেটা বহু আগেই বুঝেছিলাম। নাটক ‘১০ মিনিট’ নির্মাণের মধ্য দিয়ে সেই ধারণাই আরও স্পষ্ট হলো।
সম্প্রতি ঢাকার উত্তরা এলাকায় নাটকটির শুটিং সম্পন্ন হয়েছে। নাটকটি ওয়াটার লিলি পিকচার্স থেকে প্রযোজনা করেছেন হাসান জুয়েল। শিগগির নাটকটি একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে দেখা যাবে।







