নির্বাচন শেষ হলেও নির্বাচন পরবর্তী উত্তাপ কমেনি। সমঝোতার বৈঠককে ঘিরেই বাগেরহাটের শরণখোলার সহিংসতায় যুবদল নেতাসহ আহত হয়েছেন ১০ জন।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে শরণখোলার সোনাতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার সোনাতলায় এক দফা হামলার ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার জের ধরে শুক্রবার সকালে সমঝোতার কথা বলে উভয় পক্ষ বসে। কিন্তু কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, জামায়াত সমর্থিত একটি পক্ষ অতর্কিত হামলা চালালে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। আহতদের মধ্যে রয়েছেন- যুবদল নেতা হালিম খান, রুল হক ফরাজী ফুলসোনা বেগম, ইব্রাহিম বেপারী, মাসুম ফরাজী, সুমন ফরাজী, কবির ফরাজী, রুবেল খান, রিয়াদুল ফরাজী, ও জসিম ঘরামী।
গুরুতর আহত দুইজনকে খুলনা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকিরা শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন আছেন।
একজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, সমঝোতার জন্য বসেছিল সবাই। কিন্তু হঠাৎ করেই উত্তেজনা বাড়ে। তারপরই লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা শুরু হয়।
এ বিষয়ে শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সামিনুল হক বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করছেন। তিনি আরও জানান, নির্বাচনী বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
ঘটনার পর এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ না হলে পরিস্থিতি আরও অবনতি হতে পারে।








