তৈরি পোশাক খাতে বৈপ্লবিকভাবে ৭৭ শতাংশ কারখানায় শ্রমপরিবেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-টিআইবি। ৯২ শতাংশ কারখানায় শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি দেয়া হয় উল্লেখ করে দেশের পোশাক খাত নিয়ে সন্তোষও প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।
নানা সময় দেশের নির্বাচন, রাজনীতি, দুনীর্তিসহ বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করে আলোচনা-সমালোচনায় আসে টিআইবি। এবার পোশাক খাতের সার্বিক দিক নিয়ে গবেষণায় উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে এ খাতে অভাবনীয় অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, এই খাতে একটি বৈপ্লবিক পরিবর্তন হয়েছে। কিন্তু অন্য কোনো দেশে তিন বছর সময়ে এমন একটি বিরাট খাতে এধরনের অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়েছে কিনা সেটা দেখার বিষয়। এটি অবশ্যই উল্লেখযোগ্য এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি পাওয়ার দাবিদার।
শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ দেবার বিষয়ে গার্মেন্টস সংগঠনগুলো শক্তিশালী ভুমিকা রাখছে বলেও প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। তবে রানা প্লাজার ঘটনায় দোষীদের বিচার না করলে সব অর্জন মলিন হবে বলে মন্তব্য টিআইবির।
ড. ইফতেখারুজ্জামান আরো বলেন, শ্রমিক অধিকারের ক্ষেত্রে বিশেষ করে ইউনিয়ন গঠন করা। মজুরি ও তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোর ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। ইউনিয়নের ক্ষেত্রে আপনারা দেখেছেন বেশ কিছু দুর্বলতার চিত্র আমরা পেয়েছি। অনেকক্ষেত্রে কারখানার মালিক থেকে উদ্যোক্তা তাদের মানসিকতা পরিবর্তনের বিষয়টি অনেক গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়েছে।
বিশ্ব বাজারে ৪১ ভাগ পোশাকের মূল্যমান কমলেও বায়াররা মূল্য বৃদ্ধির শর্ত দিয়ে দাম না কমানোতে রপ্তানীকারকরা ঝুঁকির মধ্যে আছেন বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছে টিআইবি।








