দু’দিনের ঐতিহাসিক সফরে কিউবা গেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। রাজধানী হাভানার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছলে ওবামাকে লাল গালিচায় ঊষ্ণ সংবর্ধনা জানানো হয়।
বিমান থেকে নেমেই এক টুইট বার্তায় ওবামা বলেছেন, কিউবার জনগণের সরাসরি কথা শুনতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন তিনি।
১৯২৮ সালে কিউবা সফর করেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ক্যালভিন কুলিজ। এর পর কেটে গেছে ৮৮ বছর। এই দীর্ঘ সময় পরে আবার কোন মার্কিন প্রেসিডেন্টের কিউবা সফর। ১৯৫৯ সালে কিউবার বিপ্লবের পর দেশটির সব রকম কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে যুক্তরাষ্ট্র। এরপর আরোপ করে বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা ।
গত বছর আগস্ট মাস থেকে দু’দেশের শীতল সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করে। বছর না ঘুরতেই কিউবা সফরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ।
ওবামার সফর ঘিরে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে রাজধানী হাভানা। রাজপথের দু’পাশে শোভা পাচ্ছে কিউবার প্রেসিডেন্ট রাউল ক্যাস্ট্রো ও ওবামার ছবি।
কিউবা সফরে বারাক ওবামা রাউল ক্যাস্ট্রোর সঙ্গে সাক্ষাতের পাশাপাশি দেশটির বিরোধী দলীয় নেতা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গেও কথা বলবেন। তবে কিউবার সাবেক প্রেসিডেন্ট ফিদেল ক্যাস্ট্রোর সঙ্গে কোন সাক্ষাৎ হচ্ছে না ওবামার।
বারাক ওবামার এ সফরকে ব্যাপক গুরুত্ব দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও কিউবার গণমাধ্যম। ওবামা তার বক্তব্যে কিউবার ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞার মাত্রা আরো তুলে নেয়ার ঘোষণা দিতে পারেন এমনটাই আশা করছে সেদেশের জনগণ।
ওবামার এ সফরের মধ্য দিয়ে দু’দেশের সুসম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে আশাবাদী কিউবা ও যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ।






