জাতিসংঘ শান্তি মিশনে যোগ দিতে ৭ ডিসেম্বর ঢাকা থেকে কঙ্গোর উদ্দেশে রওনা হবেন ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট নাইমা হক এবং ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তামান্না ই লুৎফী। সশস্ত্র বাহিনীর ইতিহাসে মাইলফলক হওয়া দুই নারী বৈমানিক বলছেন, চ্যালেঞ্জিং পেশায় বিমান বাহিনী তাদের সব ধরনের উৎসাহ দিয়েছে। দেশের সমাজ ব্যবস্থাও এখন অনেক নারীবান্ধব।
তাদের নিয়োগ ২০১০ সালে। তখন বিমান বাহিনীর প্রথম নারী বৈমানিক হয়ে ইতিহাস গড়েন নাইমা হক এবং তামান্না ই লুৎফী। এখন তারা আলোচনায় জাতিসংঘ মিশনে বাংলাদেশের প্রথম নারী বৈমানিক হওয়ার কারণে।
১৪ বছর ধরে শান্তি রক্ষা মিশনে কাজ করছে বিমান বাহিনী। সাত বছর ধরে সেই যাত্রায় অর্ন্তভুক্ত নারীরাও। এবার কঙ্গোর মতো দূর্গম পাহাড়ী জায়গায় বৈমানিক হিসেবে কাজ করবেন ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট নাইমা হক এবং ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তামান্না ই লুৎফী।
তারা বলছেন, ৬৫ ঘণ্টা ফ্লাই করার প্রাথমিক ধাপ শেষ করে পরে চট্টগ্রামের দূর্গম পাহাড়ী পরিবেশে তাদের প্রশিক্ষণ হয়েছে।
চালেঞ্জিং পদচারণায় তারা পাশে পেয়েছেন নিজ পরিবার-স্বজন-প্রিয়জন ছাড়াও দেশের মানুষকে।







