অতিরিক্ত হজ কোটায় ৪০ বছর বয়সের নিচের কোনো বাংলাদেশী এ বছর আর হজে যেতে পারবেন না। ধর্মমন্ত্রী বলেছেন, সময় সংক্ষিপ্ততার কারণে সৌদি আরবের অতিরিক্ত কোটায় হজে মানব পাচার রোধে এ বছরের জন্য এ নিয়ম করা হয়েছে।
এ বছর হজযাত্রী বেশী হওয়ায় শেষ মুহুর্তে এসে কোটার বাইরে অতিরিক্ত ৫ হাজার জন বাংলাদেশীর হজের জন্য নতুন কোটা দেয় সৌদি সরকার। নতুন এসব হজযাত্রীদের সুষ্ঠুভাবে হজে পাঠাতে ‘হাব’এর নেতাদের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক বৈঠক হয় ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমানের সরকারি বাসভবনে।
আন্দোলনকারী হজ এজেন্টদের প্রতিনিধি আব্দুল কবীর খান জামান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য আমরা কিছু প্রোগ্রাম করেছি। সেটা আন্দোলনের পর্যায়ে পড়ে না।
হাবের সভাপতি মো: ইব্রাহীম বাহার বলেন, প্রথম বিষয়টা হচ্ছে ভিসা আর দ্বিতীয়টা পরিবহন। সেক্ষেত্রে বিমান ও সৌদিয়া বলছে তারা ৫০০০ করে নিতে সক্ষম। সেক্ষেত্রে আমার মনে হয় এটি সম্ভব।
শেষ মুহুর্তে কোটা পাওয়ায় নতুন এসব হজযাত্রীদের পুলিশ ভেরিফিকেশনের সুযোগ থাকছে না। এই সুযোগে হজের নামে সৌদি আরব গিয়ে কেউ যাতে না থাকে সেজন্য বিশেষ সতর্ক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান বলেন, চল্লিশ থেকে চল্লিশোর্ধ যারা তাদের পাঠাবো। আর যদি বাবা মায়ের সঙ্গে যায় তাহলে যেকোনো বয়সী মানুষ হজে যেতে পারবে। একা যেতে চাইলে চল্লিশের নিচে বয়সীদের এবছর নেওয়া হবে না।
নতুন এসব হজযাত্রী সবাই যাবেন সরকারি ব্যবস্থাপনায়। এজন্য জরুরী ভিত্তিতে সরকারিভাবে মক্কা এবং মদিনায় এসব হজযাত্রীদের জন্য বাড়ি ভাড়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে ধর্মমন্ত্রণালয়।






