অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন টেস্ট ইতিহাসের অন্যতম সফল স্পিনার রঙ্গনা হেরাথ। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে গল টেস্টই হবে লঙ্কান তারকার শেষ সাদা পোশাকের ম্যাচ। তিন ম্যাচ সিরিজের পুরোটা হেরাথ খেলতে অনিচ্ছুক বলে জানিয়েছেন শ্রীলঙ্কা দলের নির্বাচকরা।
১৯৯০’র দশকে অভিষেক হওয়া টেস্ট ক্রিকেটারদের মধ্যে একমাত্র হেরাথই এখনও খেলছেন। ৪০ বছর বয়সী তারকার ক্যারিয়ারের শেষ টেস্ট ঘরের মাঠ গল-এ শুরু হবে ৬ নভেম্বর।
১৯৯৯তে অভিষেক হয়েছিল বলেই হেরাথের কাছে ভেন্যু হিসেবে গল কেবল বেশি আবেগময় নয়, এই ভেন্যুতে যে মুত্তিয়া মুরালিধরনের চেয়েও বেশি টেস্ট উইকেট পেয়েছেন বাঁহাতি স্পিনার। গলে ১০০ উইকেট পেয়েছেন হেরাথ। ৩১ বছরে অনেকটা নতুন করে ক্যারিয়ার শুরু করার পর এ মাঠে ২০০৯ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে ১০ উইকেট নিয়েছিলেন।
মুরালি অবসরে যাওয়ার পর লঙ্কানদের সবচেয়ে ভরসার বোলার হয়ে ওঠেন হেরাথ। কিন্তু ইনজুরি কারণে ২০১৭’র জানুয়ারি থেকে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজে কখনও সব ম্যাচ খেলেনিনি। ইনজুরির কারণে ভারতের বিপক্ষে শেষ সিরিজেও পুরোটা খেলতে পারেননি।
শুধু দ্বীপদেশেই নয়, হেরাথের অবসরের মধ্যদিয়ে আধুনিক ক্রিকেটের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটবে। টেস্ট ইতিহাসে ১০ নম্বর উইকেট শিকারি হিসেবেই কেবল নয়, ক্যারিয়ারের প্রথম একদশক দলে সুযোগ পাওয়া নিয়ে হিমশিম খাওয়ার পর ক্যারিয়ারের মোট ৪৩০ উইকেটের ৩৬টি বাদে সবই পেয়েছেন ৩১ বছর বয়সের পর।
এর মধ্যে আবার ২৩০ উইকেট পেয়েছেন বয়স ৩৫ ছাড়ানোর পর। আর কোনো বোলারই এমন কীর্তি গড়তে পারেননি।
ক্যারিয়ারের শেষ টেস্টে যদি ৫ উইকেট নিতে পারেন, তাহলে টেস্টে সপ্তম সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি হবেন হেরাথ। সেক্ষেত্রে ছাড়ি যাবেন, নিউজিল্যান্ড গ্রেট রিচার্ড হ্যাডলির ৪৩১, ইংল্যান্ডের স্টুয়ার্ট ব্রডের ৪৩৩ ও ভারতীয় কিংবদন্তি কপিল দেবের ৪৩৪ উইকেটের মাইলফলক।







