মিয়ানমারের জলসীমা থেকে উদ্ধার হয়ে দেশে ফিরে আসা ৩৭ বাংলাদেশীর মধ্যে চার শিশু আছে কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে। সন্ধ্যার মধ্যে শিশুরা ছাড়া ৩৩ জন নিজেদের বাড়িতে ফিরে যাবেন। আর চার শিশুকে বাড়িতে পৌঁছে দেবে রেডক্রিসেন্ট।
তাদের কাছ থেকে দালালদের নাম-ঠিকানা জেনেছে পুলিশ। সে অনুযায়ী পরে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ৩৭ জনের মধ্যে চারজন অপ্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ায় তাদেরকে আদালতে পাঠানো হবে। পরে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী অপ্রাপ্ত বয়স্ক চারজনকে আত্মীয় স্বজনের কাছে হস্তান্তর করা হবে। বাকি ৩৩ জনকে সন্ধ্যা নাগাদ নিজ জিম্মায় ছেড়ে দেবে প্রশাসন।
শুক্রবার বেলা ১২টায় বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের ঘুমধুম জিরো পয়েন্টে পতাকা বৈঠক শেষে তাদেরকে ফিরিয়ে আনে বিজিবি। দেড় ঘন্টাব্যাপী বৈঠকের পর বিজিবির কক্সবাজার সেক্টরের কমান্ডার এমএম আনিসুর রহমানের কাছে ৩৭ বাংলাদেশীকে হস্তান্তর করেন মিয়ানমার ইমিগ্রেশন বিভাগের সহকারি পরিচালক চ নাইং।
এর আগে ৮ জুন পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ১৫০ জনকে বাংলাদেশে ফেরত আনা হয়। একই প্রক্রিয়ায় দ্বিতীয় পর্যায়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী যাচাই করে ৩৭ বাংলাদেশীকে শুক্রবার ফেরত আনা হয়েছে।
ফিরে আসা ৩৭ বাংলাদেশীর মধ্যে রয়েছেন: সিরাজগঞ্জের ৫, মাদারীপুর ১, সুনামগঞ্জের ৪, কিশোরগঞ্জের ৮, হবিগঞ্জের ১১, জামালপুরের ১ ও বগুড়ার ৭ জন। তার






