কৃষি ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব শাইখ সিরাজের ফেসবুক পেজে এখন ফলোয়ারের সংখ্যা দুই মিলিয়ন (বিশ লাখ)। প্রথম একজন বাংলাদেশী সাংবাদিক হিসেবে এই মাইলফলক অর্জন করেছেন তিনি।
ফেসবুকে দেশের বিনোদন-খেলাধুলা তারকা এবং টেলিকম খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান/ব্র্যান্ডের কয়েক মিলিয়ন ভক্ত থাকলেও, কৃষি অথবা সাংবাদিকতার কোনো ব্যক্তিত্বের এতো ফলোয়ার আর নেই।
সামাজিক যোগাযোগের এই মাধ্যমের সাহায্যে খুব স্বল্প সময়ে এবং সহজে এই বিশ লাখ ভক্তের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করতে সক্ষম হচ্ছেন তিনি।
https://www.facebook.com/shykhserajbangladesh পেজটির মাধ্যমে ভক্ত-পাঠকরা শাইখ সিরাজের সাথে গ্রামীণ জনপদের নানা তথ্য এবং বিষয়ে মতবিনিময় করে থাকেন।

২০ লাখ ফলোয়ারের মাইলফলক অর্জনের পরে শাইখ সিরাজ চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, শুরুর দিকে এই মাধ্যমগুলো নিয়ে ততটা আগ্রহী ছিলাম না। কিন্তু পরে যখন দেখলাম এই মাধ্যমের কারণে আমি খুব সহজেই সবার কাছে পৌঁছে যেতে পারছি। সেটা আসলেই খুব উপভোগ্য। তাছাড়া মানুষ ইতিবাচক বিষয়গুলোকে যে খুব ভালোভাবে নেয়; সেটাও টের পেয়েছি এই মাধ্যমের কারণেই।

শাইখ সিরাজ কৃষি সাংবাদিকতাসহ নানামুখি কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে গ্রামীণ জীবনে জাগরণ সৃষ্টির লক্ষ্যে কাজ করছেন। তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশনে জনপ্রিয় কৃষিভিত্তিক অনুষ্ঠান ‘মাটি ও মানুষ’ উপস্থাপনার মাধ্যমে কৃষিকে গ্রামীণ গণ্ডির বাইরে সারাদেশের মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে সক্ষম হন।

সেই ধারাবাহিকতায় চ্যানেল আইয়ে নিয়মিত প্রচারিত হচ্ছে ‘হৃদয়ে মাটি ও মানুষ’ এবং তার পরিকল্পনা-উপস্থাপনায় বাংলাদেশ টেলিভিশনে ‘কৃষি দিবানিশি’।

এছাড়া ভবিষ্যত শহুরে প্রজন্মকে কৃষি এবং গ্রামীণ জনপদ-অর্থনীতির সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের নিয়ে ‘ফিরে চল মাটির টানে’ নামে ভিন্নধারার একটি অনুষ্ঠান পরিচালনা করছেন তিনি যা চ্যানেল আইয়ে প্রচার হয়।
শাইখ সিরাজ চ্যানেল আই অনলাইনের সঙ্গে আলোচনায় প্রযুক্তির সঙ্গে নিজের যোগাযোগের কিছু স্মরণীয় ঘটনাও তুলে ধরেন। জানান কিভাবে মাত্র একটি ছবি দিয়েই হাজার হাজার মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া যায় তথ্য।

শাইখ সিরাজ ১৯৫৪ সালের ৭ সেপ্টেম্বর চাঁদপুরে জন্মগ্রহণ করেন। খিলগাঁও গভঃ হাইস্কুল, নটরডেম কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কাটে তার শিক্ষাজীবন। তিনি ভূগোলে সম্মানসহ মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করে সাংবাদিকতা পেশায় যুক্ত হন।

কাজের স্বীকৃতি হিসেবে একুশে পদক (১৯৯৫), জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার এএইচ বুর্মা অ্যাওয়ার্ড (২০০৯), ব্রিটেনের বিসিএ গোল্ডেন জুবিলি অনার অ্যাওয়ার্ড, বাংলাদেশ ক্যাটারার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিসিএ) পদক (২০১১), গুসি শান্তি পুরস্কারসহ নানা দেশী-বিদেশী সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন শাইখ সিরাজ।
এছাড়াও ২০১১ সালে যুক্তরাজ্যের হাউস অব কমন্সে পেয়েছেন বিশেষ সম্মাননা। কর্মজীবনে তিনি ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড চ্যানেল আই’র পরিচালক ও বার্তাপ্রধান।
ফেসবুকে ২০ লাখ ফলোয়ারের মাইলফলক অর্জন হওয়ায় চ্যানেল আই অনলাইনকে এক বিশেষ সাক্ষাতকার দেন তিনি। শুনুন পুরো অডিও সাক্ষাতকারটি।







