দু’মাস আগে থেকে রংপুরের বিশেষ জজ আদালতের পিপি রথিশ চন্দ্র ভৌমিককে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল উল্লেখ করে নিখোঁজের আগে চেতনা নাশক ওষুধ দিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন র্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ।
বুধবার এক ব্রিফিংয়ে তিনি জানান: পরকীয়া আর পারিবারিক অশান্তির জেরই এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে বলে আমরা ধারণা করছি। এ ঘটনায় ওই আইনজীবীর স্ত্রী এবং তার প্রেমিকসহ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এর আগে গত শুক্রবার ভোরে রংপুর নগরীর বাবুপাড়ার বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন জাপানি নাগরিক কুনিও হোশি ও মাজারের খাদেম হত্যা মামলার সরকারি আইনজীবী রথিশ চন্দ্র ভৌমিক। নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে তার সন্ধানে মাঠে নামে র্যাব, পুলিশ, পিবিআইসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা।
মোবাইল ফোনের কল লিস্টের সূত্র ধরে আইনজীবীর স্ত্রী স্নিগ্ধা ভৌমিক ও তার সহকর্মী স্কুল শিক্ষক কামরুল ইসলামকে আটক করে র্যাব। তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী মঙ্গলবার রাতে মোল্লাপাড়ায় অভিযান চালিয়ে কামরুল ইসলামের ভাই খাদেমুল ইসলামের নির্মাণাধীন বাড়ির মেঝে থেকে আইনজীবীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়।
তাজহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ছিলেন রথিশ চন্দ্র ভৌমিক। এছাড়াও হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ ও সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন তিনি।
হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি এবং বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে জড়িত ছিলেন রথিশ চন্দ্র।







