চ্যানেল আইয়ের ২০ বছরে পর্দাপণ উপলক্ষে বিভিন্ন সংবাদপত্রে ক্রোড়পত্র প্রকাশিত হয়েছে। রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও তথ্যমন্ত্রীর আলাদা বাণীর পাশাপাশি ক্রোড়পত্রে চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং পরিচালক ও বার্তা প্রধান দর্শকদের প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ তার বাণীতে সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেছেন, গণমাধ্যম জাতির বিবেক ও সমাজের দর্পণ। গণমাধ্যম কেবল তথ্য ও সংবাদচিত্র জনসম্মুখে তুলে ধরে না, জনমত সৃষ্টিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে গণমাধ্যম ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে বলে দেশবাসী প্রত্যাশা করে।
চ্যানেল আইকে নিয়ে দেয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে টেলিভিশনকে শুধু বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে ভূমিকা রাখলে চলবে না। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ ও অনুষ্ঠান পরিবেশনের মাধ্যমে দেশের মানুষের উন্নত মনন গঠনে অবদান রাখতে হবে। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ মোকাবেলায় জনসচেতনতা সৃষ্টিতে গণমাধ্যম হিসেবে টেলিভিশন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে বলে আমি মনে করি।
তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু তার বাণীতে বলেছেন, কল্যাণ আর আনন্দের বার্তা নিয়ে চ্যানেল আই পৌঁছে যাক দেশের সর্বত্র এবং বিশ্বময়।
কলকাতা থেকে লেখা বাণীতে কবি শঙ্খ ঘোষ লিখেছেন, হৃদয়ে বাংলাদেশ এই কথাটি সবাইকে টান দিতে পারেন না। দেশের প্রকৃত ইতিহাস সংস্কৃতি এই সবকিছুরই সঙ্গে সবাই যাতে আদ্যন্ত ভালোবাসার সম্পর্ক নিয়ে জড়িয়ে পড়তে পারে, সেই লক্ষ্য নিয়েই চ্যানেল আইয়ের কর্মসূচি।
সাংবাদিক সৈয়দ আবুল মকসুদ লিখেছেন, টেলিভিশন শুধু বিনোদনের জন্য নয়, এটি অতি গুরুত্বপূর্ণ সম্প্রচার মাধ্যম, যা জনগণের চেতনার মান বাড়ায়।
চ্যানেল আইয়ের ২০তম বর্ষে পর্দাপণ উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লি. চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর দর্শকদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেছেন, গভীরভাবে কেউ যদি ভাবেন তাহলে দেখবেন টেলিভিশনের অনুষ্ঠান এখন দর্শকদের কাছে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাল রেখে পাশাপাশি চলছে।
‘‘এখন টেলিভিশনের অনুষ্ঠান আর হারিয়ে যাচ্ছে না। আর্কাইভের হিমশীতল কক্ষে বন্দিও হচ্ছে না। টেলিভিশনের অনুষ্ঠান একবার প্রচার হয়ে যাবার পরই এখন রয়ে যাচ্ছে ইউটিউব, নেটফ্লিক্স, আমাজন এই ধরনের নানা রকম ডিজিটাল আর্কাইভে।’’
বাণীতে চ্যানেল আইয়ের পরিচালক ও বার্তা প্রধান শাইখ সিরাজ বলেছেন, আমরা শুধু টেলিভিশন করতে চাইনি, চেয়েছি জীবন-জীবিকা, শিক্ষা, তথ্য, সংস্কৃতি আর মানুষের নিত্যদিনের প্রয়োজনকে সামনে এসে জাতীয় জীবনের চাহিদাগুলোর সঙ্গে গণমাধ্যমকে গভীরভাবে যুক্ত করতে।








