৫ ডিসেম্বর ১৯৭১, টানা ছয়দিন যুদ্ধের পর আখাউড়ায় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে সম্পূর্ণ পরাজিত হয় তথাকথিত পরাক্রমশালী পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী। পরাজিত পাকিস্তানী সৈন্যরা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দিকে পালিয়ে যায়। মুক্তিযোদ্ধারাও ধাওয়া করতে থাকে তাদের।
আখাউড়ার বুকে উড়ে বাংলাদেশের লাল-সবুজের পতাকা। হাজার হাজার মুক্তিকামী মানুষ রাস্তায় নেমে মুক্তিযোদ্ধাদের অভিনন্দন জানায়। আর কৌশলগত দিক দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত শহর আখাউড়ায় রেল জংশন দখলে নিয়ে চূড়ান্ত বিজয়ের পথে আরো একধাপ এগিয়ে যায় মুক্তিবাহিনী।
কুড়িগ্রামেও এদিন মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে পাকিস্তানী বাহিনীর প্রচন্ড যুদ্ধ হয়। মুক্তিযোদ্ধাদের সাড়াশি অভিযানের মুখে কুষ্টিয়া ও যশোর থেকে পাকিস্তানী সৈন্যরা পালাতে থাকে। কিন্তু মুক্তিযোদ্ধাদের অ্যামবুশে পড়ে এসময় অনেক পাকিস্তানী সৈন্য নিহত হয়।
এদিন পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর সমালোচনা করে বিদেশে র অনেক পত্রিকা। যুক্তরাজ্যের সানডে টাইমস এর কড়া সমালোচনা করে। এই পত্রিকা প্রতিবেদনে বলা হয়, এখনো যদি বাংলাদেশের জনগণের ন্যায় সঙ্গত দাবি মেনে নিয়ে স্বায়ত্বশাসন দেওয়া হয় তাহলে সেখানে রক্তপাত বন্ধ করা সম্ভব।






