১২ ম্যাচ, এক জয়, দুই পয়েন্ট। বিপিএল ইতিহাসে সবচেয়ে খারাপ ফল নিয়ে আসর শেষ করল সিলেট থান্ডার। মঙ্গলবার শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সের কাছে নিজেদের শেষ ম্যাচেও হেরেছে তারা।
চোটের কারণে নিয়মিত অধিনায়ক মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ছিটকে যাওয়ায় শেষের কয়েকটি ম্যাচে সিলেটকে নেতৃত্ব দেন আন্দ্রে ফ্লেচার। বঙ্গবন্ধু বিপিএলে প্রথম সেঞ্চুরি করা ক্যারিবীয় ব্যাটসম্যান টুর্নামেন্ট শেষে বললেন, ‘যেকোনো অধিনায়কের জন্যই এমন ফলাফল হতাশাজনক। আমরা পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলতে পারিনি। যেটা চেয়েছি সেটা করতে পারিনি।’
টানা চার ম্যাচ হেরে টুর্নামেন্ট শুরু করা সিলেট পঞ্চম ম্যাচে পায় জয়ের দেখা। চট্টগ্রামে খুলনা টাইগার্সকে তারা হারিয়েছিল ৮০ রানের বড় ব্যবধানে। ফ্লেচার খেলেছিলেন ১০৩ রানের অপরাজিত ইনিংস। ওটিই একমাত্র ও শেষ জয় সিলেটের। পরের সাত ম্যাচে হার সঙ্গী হয়েছে তাদের। হোম ভেন্যু সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে টানা তিন দিনে তিনটি ম্যাচ খেললেও ঘোরেনি ভাগ্যের চাকা।
২০১২ সালে বিপিএলের প্রথম আসরে ১০ ম্যাচে ২ জয় ছিল সিলেট রয়্যালসের। পরে ২০১৫ বিপিএলে ১০ ম্যাচে ২ জয় নিয়ে লজ্জার রেকর্ড স্পর্শ করে চিটাগং ভাইকিংস। ২০১৭ সালে ১২ ম্যাচে ২টিতে জিতেছিল খুলনা টাইটানস।








