নবাগত পানামার বিরুদ্ধে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করছে বেলজিয়াম। সোমবার দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে তৃতীয় স্থানে থাকা এডিন হ্যাজার্ডের বেলজিয়াম নামবে ফিস্ট অলিম্পিক স্টেডিয়ামে। এই ম্যাচে শুধু হ্যাজার্ডের দিকেই লক্ষ্য থাকবে না ফুটবল বিশ্বের, নজরে ভারমিলান, ভিনসেন্ট কোম্পানির মতো ফুটবলাররাও।
গ্রুপ জি-র এই খেলায় নবাগত পানামার বিরুদ্ধে জয় তুলে নেওয়াই মূল লক্ষ্য হ্যাজার্ডদের। কারণ এই গ্রুপের অন্য শক্তিশালী দল ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলার আগে সুবিধাজনক জায়গায় থাকা জরুরি বলে মনে করছেন বেলজিয়াম কোচ মার্টিনেজ।
মার্টিনেজের অধীনে দারুন ফুটবল উপহার দিয়েছে বেলজিয়াম। তারা র্যাঙ্কিংয়ের তিন নম্বরে উঠে আসার নেপথ্যে দু-বছর অপরাজিত থেকেছে। শেষ ১৯টি ম্যাচে অপরাজেয় বেলজিয়াম। তারপর বিশ্বকাপে আসার আগে শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে কোস্টারিকার মতো দলকে ৪-১ ব্যবধানে হারিয়েছেন হ্যাজার্ডরা। ফলে বিশ্বকাপ অভিযান শুরুর মুহূর্তে আত্মবিশ্বাসী বেলজিয়াম শিবির।
কোচ মার্টিনেজ বলেছেন, এখনই ইংল্যান্ড নিয়ে কিছু ভাবছি না। আমাদের চিন্তায় শুধুই পানামা। বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করেছে, তাদের ছোট করে দেখার কোনও কারণই নেই। আমি মনে করছি, এটা আদৌ সহজ ম্যাচ হবে না। ছোটদলগুলির রক্ষণাত্মক মনোভাবই বড় দলের কাছে সমস্যার হয়ে দাঁড়ায়।
এর আগে বিশ্বকাপে বেলজিয়াম ৪১টি ম্যাচ খেলেছে। জিতেছে ১৪টি, ড্র ৯টিতে। আর হার ১৮টি। ৫২টি গোল করেছে, খেয়েছে ৬৮টি। তবে এই পরিসংখ্যান দিয়ে বেলজিয়ামকে বিচার করলে হবে না। গত চার বছর বেলজিয়ামের যেভাবে উত্তরণ হয়েছে, তা এককথায় অভাবনীয়। বেলজিয়াম উঠে এসেছে তিননম্বরে।
একটা সময়ে আর্জেন্টিনা ও জার্মানিকে সরিয়ে এক নম্বরেও উঠে এসেছিল বেলজিয়াম। এখন ব্রাজিল-জার্মানির পরই তাদের স্থান। শেষ ১৯টি ম্যাচে তারা হারেনি। এছাড়া বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বে ১০টি ম্যাচের ৯টিতেই জিতেছে বেলজিয়াম। বাকি ম্যাচটি ড্র। ৪৩টি গোল করেছে। বিপক্ষে গোল হয়েছে মাত্র ৬টি।
উল্টোদিকে পানামা ১০টি ম্যাচের তিনটিতে জিতেছে, হেরেছে সমান তিনটিতে। বাকি চার ম্যাচ ড্র। পক্ষে ৯ ও বিপক্ষে ১০টি গোল হয়েছে।







