চিকিৎসকরা বলেছিলেন, শিশুটির আয়ু বড়জোর পাঁচ বছর। এর বেশি দিন বাঁচার তেমন কোনো সম্ভাবনাই নেই তার। মেরুদণ্ডের পেশিতে ভয়াবহ ক্ষত নিয়ে জন্ম হয়েছিল এদ্দি ডপুর। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় যাকে বলে, ‘স্পাইনাল মাসকুলার আরথ্রোপি’।
কিন্তু মৃত্যুর কাছে হেরে যায় নি এদ্দি। অদম্য এ ছেলেটির বয়স এখন ২৭ বছর। ক’দিন পরেই ২৮ বছরে পা দেবে সে।
বিশ্বজুড়ে প্রতিবন্ধী মানুষদের জন্য সে যেন এখন এক অনুপ্রেরণার উৎস। কোনো কিছুই তার কাছে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে নি। স্নাতক সম্পন্ন করেছেন অক্সফোর্ড থেকে।
এখন তার স্বপ্ন আরো বিশাল আরো ব্যাপক। হুইল চেয়ারে করেই তিনি প্রথম প্রতিবন্ধী হিসেবে মহাশূন্যে পাড়ি জমাতে চান এদ্দি।
মানুষের স্বপ্নের পরিধির যেন বরাবরই সীমাহীন, সেটাই মনে করিয়ে দিতে চান সবাই। আর অনুপ্রেরণা হতে চান বিশ্বের সকল প্রতিবন্ধী মানুষের। প্রতিবন্ধী মানুষের নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে কাজ করছেন তিনি। তাদের জন্য প্রতিষ্ঠা করেছেন একটি এনজিও।
স্বপ্ন জয়ের পথে যে ইচ্ছে শক্তিটাই প্রবল সেটাই প্রমাণ করতে চান তিনি। আর এ বিষয়ে তার প্রেরণা জগত বিখ্যাত বিজ্ঞানী স্টিভেন হকিংস।







