বাংলাদেশ ছেড়ে শ্রীলঙ্কা দলের দায়িত্ব নিয়েছেন হাথুরুসিংহে। হেড কোচ ছাড়াই ১৫ জানুয়ারি থেকে শুরু ত্রিদেশীয় সিরিজে খেলতে নামবেন মাশরাফীরা। ঘরের মাঠের সিরিজে অন্য দুটি দল শ্রীলঙ্কা ও জিম্বাবুয়ে। টেকনিক্যাল ডিরেক্টর সুজনের নেতৃত্বে চলছিল টাইগারদের অনুশীলন ক্যাম্প। যোগ দিতে শুরু করেছেন বিদেশি কোচিং স্টাফরাও। বুধবার ক্যাম্পে যুক্ত হয়েছেন সহকারী কোচ রিচার্ড হ্যালসল। পরে সংবাদমাধ্যমের সামনে বলে গেলেন- বাংলাদেশ দলের শক্তি খেলোয়াড়রাই, কোচ নিয়ে ভাবনার জায়গা এখন কম।
সাড়ে তিন বছর টাইগারদের হেড কোচের ভূমিকায় ছিলেন হাথুরুসিংহে। মাশরাফী-সাকিবদের শক্তি-দুর্বলতা সবই জানা তার। ত্রিদেশীয় সিরিজে তাই অদৃশ্য প্রতিপক্ষ হিসেবে থাকবে লঙ্কান কোচের এই জানা-অভিজ্ঞতাগুলোও! হ্যালসল অবশ্য বিষয়টিকে খেলোয়াড়ি দৃষ্টিতেই দেখছেন।
‘হেড কোচ চলে গেছে এটা কম গুরুত্বের। হেড কোচ চলে গেছে, খেলোয়াড়রা তো আছে। সিনিয়র খেলোয়াড়রা আছে, তরুণ পারফর্মাররা আছে। কোচিং স্টাফ আগেরটাই আছে। সব মিলিয়ে আমরা সামনের দিকেই তাকিয়ে।’
মাশরাফী ও তামিম সিরিজে নিজেদের ফেভারিট বলেছেন। খেলোয়াড়দের কথাকে যৌক্তিক মনে করছেন হ্যালসলও, ‘শ্রীলঙ্কার খুব খারাপ সময় যাচ্ছে। তারা ভারতে হেরে এখানে আসছে। তবে তাদের কিছু ভাল খেলোয়াড়ও আছে। কিন্তু খেলাটা মিরপুরে। আবার গত ৩ বছরে খুব কম ওয়ানডে সিরিজ হেরেছে বাংলাদেশ। স্থির একটা ওয়ানডে দল। ম্যাচ ঘুরিয়ে দিতে পারার মত বড় খেলোয়াড় আছে।’

ত্রিদেশীয় সিরিজের আগে হেড কোচ নিয়োগ দিতে না পারায় সহজ পথে হাঁটতে পারত বিসিবি। সহকারী কোচকে অন্তর্বর্তীকালীন হেড কোচ করা যেত। বিসিবি সেটি করেনি। অথচ হেড কোচের জায়গাটি ফাঁকা রেখে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দ্বিপাক্ষিক সিরিজও চালিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তাতে মোটেই মনক্ষুণ্ণ হননি হ্যালসল। নিজেদের উপর অর্পিত দায়িত্বটা ঠিকঠাক পালন করাটাই তার কাছে মুখ্য।
‘আমি ক্রিকেটারদের সহযোগিতা করতে পারি, আমার কাজও সেটাই। জব টাইটেল আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় না।’








