বাংলাদেশ দলের পারফরম্যান্সকে আমূল বদলে দিয়ে ক্রিকেট বিশ্বের নজর কেড়েছেন চণ্ডিকা হাথুরুসিংহে। টাইগারদের এই কোচকে নিতে আগ্রহের কমতি নেই শ্রীলঙ্কার। গ্রাহামফোর্ড পদত্যাগ করার পর লঙ্কানরা কোচ হিসেবে চেয়েছিল হাথুরুকে। শঙ্কা জেগেছিল নিজ দেশের ডাকে তিনি না পাড়ি জমান। আপাতত সেই শঙ্কাটা না করলেই চলবে, অন্তত বিশ্বকাপ পর্যন্ত লাল-সবুজদের সঙ্গেই থাকছেন তিনি।
বিসিবির সঙ্গে হাথুরুর চুক্তি আছে ২০১৯ বিশ্বকাপ পর্যন্ত। সেই অব্দি তার টাইগারদের সঙ্গে থাকা নিয়ে সংশয় রইল না। বুধবার সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিশ্বকাপ নিয়ে নিজের ভাবনার কথা জানালেন কোচ। সেই পরিকল্পনাই বলে দেয় সময়টা পর্যন্ত থাকছেন তিনি।
হাথুরু কোচ হয়ে আসার পর প্রায় প্রতিটি অনুশীলন ক্যাম্পেই ৩০ জনের কাছাকাছি ক্রিকেটার ডেকেছেন। যার মধ্যে এক-তৃতীয়াংশ ক্রিকেটারই তরুণ। কারও কারও সুযোগ হয় জাতীয় দলে খেলার। বেশিরভাগ ক্রিকেটারই সিরিজে পর সিরিজ অপেক্ষা থাকেন সুযোগ পেতে। অস্ট্রেলিয়া ও সাউথ আফ্রিকা সিরিজের প্রস্তুতি ক্যাম্পেও ডাকা হয়েছে ২৯ ক্রিকেটার। এত ক্রিকেটার নিয়ে আসলে কাজটা কী ? এই প্রসঙ্গেই কোচ টেনে আনলেন ২০১৯ বিশ্বকাপের কথা।
‘আমরা বৃহত্তর ছবিটার দিকে তাকিয়ে আছি বলেই এত বেশি ক্রিকেটারকে রেখেছি। আমাদের মূল লক্ষ্য ২০১৯ বিশ্বকাপ, অন্তত আমার কাছে। এই ক্রিকেটারদের সবাইকেই কঠিন অনুশীলনে অভ্যস্ত হতে হবে। ঘরোয়া ক্রিকেটে ওরা যখন অনুশীলন করে, অতটা কঠোরতা থাকে না। অনুশীলনের মানও তেমন নয়। জাতীয় ক্রিকেটারদের সঙ্গে অনুশীলন করলে ওরা বুঝতে পারবে এই পর্যায়ে আসতে সামনে কতটা চ্যালেঞ্জ নিতে হবে।’
কোচ হয়ে এসে ২০১৫ বিশ্বকাপে তাক লাগিয়ে দেন হাথুরুহিংহে। প্রথমবার বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল খেলে বাংলাদেশ। এবছর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে সেমিফাইনাল খেলে টাইগারা প্রমাণ করেছে বড় মঞ্চ জয় করার লক্ষ্য নিয়েই এগাচ্ছে বাংলাদেশ।
অলৌকিক কিছু না ঘটলে আগামী বিশ্বকাপে সরাসরি খেলা নিশ্চিত বাংলাদেশেরও। এবার হাথুরুর চাওয়া আরও বড় সাফল্য। অস্ট্রেলিয়া, সাউথ আফ্রিকা সিরিজ ভাবনার মাঝে তাই আগেভাগেই চলে আসছে বিশ্বকাপ।







