সুনামগঞ্জের হাওরে বাঁধ নির্মাণে পানি উন্নয়ন বোর্ডের অনিয়ম ও গাফিলতির অভিযোগ স্বীকার করেছেন পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। দুর্নীতি দমন কমিশনের জিজ্ঞাসাবাদে ওই কর্মকর্তারা দায় স্বীকার করেছেন জানিয়ে দুদক বলছে, দুর্নীতির প্রমাণ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এবারের বন্যারও এক বছর আগে ২০১৬ সালের ২১ এপ্রিল গণমাধ্যমে শিরোনাম ছিলো: ‘সুনামগঞ্জের ফসল রক্ষা বাঁধে ভাঙ্গন’। ওইদিনই ফসল রক্ষাবাঁধ নির্মাণ ও সংস্কার কাজে অনিয়ম এবং দুর্নীতি হয়েছে কিনা জানতে চেয়ে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের কাছে ১০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলে দুর্নীতি দমন কমিশন।
প্রায় ১০ মাস পর পর চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ নাগাদ কোনো রকম মতামত ও বিশ্লেষণ ছাড়াই প্রতিবেদন জমা দেয় মন্ত্রণালয়। এর মধ্যেই গতমাস থেকে হাওরে বন্যা। মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে অসন্তুষ্ট দুদক ডেকে পাঠায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালকসহ ৬ জন এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তাসহ ৭ জনকে।
দুদক জানায়, গেলো বছরের দুইজন ঠিকাদার কিভাবে এবারও কাজ পেলো তা তদন্ত করা হচ্ছে। হাওরে বাঁধ নির্মাণে আরো অনিয়ম ছিলো কিনা খতিয়ে দেখছে দুর্নীতি দমন কমিশন।







