আপনি যদি কারো দুঃখের মর্মবাণী উপলব্ধি করতে চান, তাহলে দুঃখীদের সঙ্গে মিশে যান এবং নিজেকেও তাদের একজন ভাবতে শুরু করুন। ব্যস, তাহলেই হবে, আর কিছু লাগবে না। আমি হাওরপাড়ের সন্তান; হাওরের উন্মুক্ত পরিবেশের সঙ্গে সংগ্রাম করে আমরা বড় হয়েছি। আমি বুঝি এই হাওরের কৃষকের মনের অবস্থা কেমন হয় যখন তাদের কষ্টের একমাত্র ফসল অকাল বন্যার পানিতে তলিয়ে যায়।
ফসল তলিয়ে যাওয়ার করুণ দৃশ্য যে কী নির্মম হতে পারে যা স্বচক্ষে প্রত্যক্ষ না করলে বুঝা যাবে না। আমরা ছোটবেলা থেকেই বছরের পর বছর হাওরের কৃষকদের দুর্দশাগ্রস্ত জীবনের বাস্তব চিত্র দেখে আসছি। আবহমানকাল থেকে এই হাওরের সঙ্গে আমাদের কৃষক, জেলে, মজুরসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের গভীর মিতালী গড়ে উঠেছে। হাওরের প্রাকৃতিক আর নৈসর্গিক দৃশ্যপটের মধ্যে বেড়ে ওঠা সংগ্রামী মানুষের জীবন, জীবিকা ও স্বপ্ন-আশা-সুখ-দুঃখ সবকিছু যেন এই হাওরকে কেন্দ্র করে।
হাওরপাড়ের এক সন্তান হিসেবে আমি যখন এ শহরের কোনো এক প্রান্তে বসে এ লেখাটি লিখছি, তখন পত্র-পত্রিকা থেকে শুরু করে টিভি মিডিয়ায় ৩০ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুনামগঞ্জে হাওরাঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনের খবরে সয়লাব। প্রধানমন্ত্রীর এমন সিদ্ধান্ত এবং হাওরপাড়ের মানুষের ক্ষতির বিষয়টি অনুধাবন করতে পারার জন্য তাকে অশেষ ধন্যবাদ। প্রধানমন্ত্রীর হাওর পরিদর্শনের খবরে আমরা হাওরবাসী উচ্ছ্বসিত এই ভেবে যে, যাক বছরের পর বছর অকাল বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া হাওরের ফসলের বিষয়টি এখন একটি জাতীয় ইস্যুতে (এজেন্ডা) পরিণত হয়েছে। গুরুত্ব সহকারে সরকার, আমলা, ঊর্ধ্বতন মহলসহ গণমাধ্যমের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পেরেছে।
শুরুতে বাংলাদেশের গণমাধ্যমগুলো হাওরে ফসল-ডুবির মতো গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাকে সচেতনভাবে এড়িয়ে গেলেও পরবর্তীতে বিভিন্ন হাওরে মরা মাছ ভেসে ওঠার পর তাদের (গণমাধ্যম) টনক নড়ে এবং বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে শুরু করে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রাবস্থায় আমিসহ আমার এলাকার বন্ধুবান্ধব ও কিছু বড় ভাইদের নিয়ে এলাকার উন্নয়নে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং অকাল বন্যার পানিতে হাওরের ফসল-ডুবির বিষয়টিতে সরকার ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু আমরা বারবার ব্যর্থ হয়েছি প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার জন্যই। সেই সময়ই আমি উপলব্ধি করতে পেরেছিলাম যে, হাওরপাড়ের মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন করতে হলে সর্বপ্রথম এখানকার এক-ফসলি উর্বর জমিগুলোকে কড়াল বন্যার আগ্রাসন থেকে রক্ষা করতে হবে। না হলে দীর্ঘমেয়াদে এটা এ অঞ্চলের মানুষের জন্য অসামান্য ক্ষতি বয়ে আনবে।
যা হোক, এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডি পেরিয়ে দেখছি আমার অতীত শঙ্কা বাস্তবে রূপ ধারণ করেছে। এরই মধ্যে ক্ষতি যা হওয়ার হাওরের গরিব কৃষকদের হয়ে গেছে। তবে এখানে মন্দের ভালো এই যে, সরকার, গণমাধ্যম, স্থানীয় প্রশাসন, এলাকাবাসীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ আগ্রহের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে। তবে এই গুরুত্ব কতদিন থাকবে তা নিয়ে আমার যথেষ্ট সন্দেহ আছে।
প্রাসঙ্গিক কিছু কথা
প্রথমত: আর্থ-সামাজিক ও মানবিক দিক থেকে হাওরে ফসল-ডুবির বিষয়টি জাতীয় পর্যায়ে যথেষ্ট গুরুত্ব বহন করে। তবে আমার মতে, এক্ষেত্রে আমরা অনেক বেশি দেরি করে ফেলেছি। সরকার, স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও হাওরবাসীদের এ বিষয়টি নিয়ে আরও আগে গুরুত্ব দিয়ে এগিয়ে আসা উচিত ছিল। এখানে উল্লেখ্য যে, এবারে ক্ষতিগ্রস্ত হাওর পরিদর্শনের পর মহামান্য রাষ্ট্রপতি হাওর অববাহিকায় যেসব ছোট-বড় নদী রয়েছে সেসব নদীসমূহ খননের উপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন।
রাষ্ট্রপতি মহোদয়ের এই গুরুত্বারোপের বিষয়টি হাওরবাসী বিশ বছর আগেই উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন। সম্প্রতি এ বিষয়টি আরও স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে পানিসম্পদমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদের বক্তব্যের মধ্য দিয়ে। জাতীয় একটি দৈনিকে সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, হাওরে বাঁধের উচ্চতা ৬ দশমিক ৫ মিটার। কিন্তু অতিবৃষ্টি ও ঢলের কারণে এবার পানির উচ্চতা ৭ থেকে ৮ দশমিক ১ মিটার পর্যন্ত উঠেছে। এ প্রেক্ষিতে আমার বক্তব্য হচ্ছে, পলিবাহিত পানিতে বছরের ছয় মাস হাওরের জমিগুলো ডুবে থাকে। যুগের পর যুগ পলিবাহিত পানি এসে জমা হয়েছে হাওর অববাহিকায় থাকা নদীগুলোতে। ফলে পলি জমা হয়ে এ অঞ্চলের নদীগুলোর গভীরতা কমে গিয়ে বেশিরভাগ স্থানে চর জেগেছে। এতে নাব্যতা কমে গেছে এবং নদীগুলোর পানির ধারণ ক্ষমতা কমে গেছে। তাই এক্ষেত্রে সরকারকে খুব সতর্কভাবে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদী কিছু পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।
দ্বিতীয়ত: বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ, নেত্রকোণা, কিশোরগঞ্জ, হবিগঞ্জসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য এলাকার নদীবাহিত নিম্নাঞ্চলের জলাভূমিসমূহ যা সাধারণভাবে হাওর নামে পরিচিত। এসব হাওরগুলোতে বছরে একটিমাত্র ফসল হয়। জলবায়ু পরিবর্তন, কৃত্রিম বাঁধ নির্মাণ, বিভিন্ন সেচ প্রকল্প, অপরিকল্পিত নদী ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন কারণে এখন এসব হাওরাঞ্চলে শুকনো মৌসুমের ব্যাপ্তিকাল কমে এসেছে। ফলে এখানে বর্ষা মৌসুমের শুরুটা বেশ আগে-ভাগে হয়ে যাচ্ছে। তাছাড়া পলি-পড়া নদীগুলোর গভীরতা কমে যাওয়ায় অল্প পানিতেই বাঁধ উপচে পানি গড়িয়ে পড়ছে হাওরে।
সাম্প্রতিক সময়ে পর্যবেক্ষণ করে দেখা গেছে হাওরাঞ্চলে শুকনো মৌসুমের ব্যাপ্তিকাল এখন গড়ে তিন মাস। ফলে এই অল্প সময়ের মধ্যে কৃষকদের ফসল ফলানো থেকে শুরু করে ফসল তোলার কাজ করতে হচ্ছে। হাওরাঞ্চলের সর্বাধিক চাষকৃত ফসল হচ্ছে বোরো ধান। এটি প্রধানত সেচ নির্ভর ফসল। বোরো ধানের জন্য সাধারণত কার্তিক মাস থেকে বীজ তলায় বীজ বপন শুরু হয়। এর ধান কাটা চলে বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ পর্যন্ত। এই বোরো ধানের জীবনকাল গড়ে ১৪০-১৬০ দিন, মাস হিসেবে যা তিন মাসের বেশি। ফসল ঘরে তোলার দিক থেকে কৃষকরা সবসময় ঝুঁকির মধ্যে থাকেন। ফলে হাওরাঞ্চলে এই স্বল্প সময়ের মধ্যে ফসল ফলানো ও ফসল তোলার জন্য উচ্চ ফলনশীল এবং উন্নত জাতের দ্রুতবর্ধনশীল ধানের জাত উদ্ভাবন ও চাষাবাদ জরুরি হয়ে পড়েছে।
এখানে উল্লেখ্য যে, ২০১৫ সালে সরকারের পক্ষ থেকে একটি ভালো উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছিল। হাওর এলাকায় ধান চাষের সময় কমিয়ে এনে ফসল কেটে দ্রুত ঘরে তোলার জন্য বিনামূল্যে রাইস প্লান্টার ও রিপার যন্ত্র সরবরাহের প্রকল্প গ্রহণ করে সরকার। যাতে ১০ কোটি ৬০ লাখ টাকা ব্যয় ধরা হয়েছিল।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্য মতে, এ প্রকল্পের আওতায় হাওর এলাকার প্রতি ইউনিয়নে একটি করে মোট ২৭৫টি রিপার বিতরণ করা হয়। এ ছাড়া বাছাই করা ১০০টি ইউনিয়নে একটি করে রাইস প্লান্টার দেয়ার কথা।
এ কর্মসূচির আওতায় প্রায় এক হাজার কৃষক, ৪২০ জন মেকানিক, ৫০০ জন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা (এসএএও) এবং ৬০ জন কৃষি কর্মকর্তাকে যন্ত্রগুলো ব্যবহারের ওপর প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। যার সব-ই ভেস্তে গেছে; কাজে লাগেনি কিছুই।
হাওরে ক্ষয়ক্ষতির খতিয়ান ও প্রভাবচিত্র 
সুনামগঞ্জের ১৪২টি হাওরের দেড় লাখ হেক্টর জমির বোরো ধান তলিয়ে গেছে। ২৩ এপ্রিল ডুবেছে শনির হাওর। এতে হাওরের ২২ হাজার একর জমির বোরো ধান তলিয়ে গেছে। আর সর্বশেষ ২৫ এপ্রিল ডুবেছে ২০ হাজার একরের পাকনার হাওর। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জেলার প্রায় তিন লাখ কৃষক পরিবার। জেলায় এবার ২ লাখ ২৩ হাজার ৮৫০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছিল।
স্থানীয় কৃষকেরা বলছেন, জেলায় আবাদ করা বোরো ধানের ৯০ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নেত্রকোনায় এক লাখ ৬৭ হাজার ১৮০ জন কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এ জেলায় আবাদ হওয়া এক লাখ ৮৪ হাজার ৩২০ হেক্টর জমির মধ্যে ৬৯ হাজার ৭১০ হেক্টর জমির বোরো ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। আর মরে গেছে এক হাজার ১৮০ মেট্রিক টন মাছ।
হাওরে ফসল-ডুবির ঘটনায় বাঁধ নির্মাণে দুর্নীতির বিষয়টিও এবার গুরুত্বের সঙ্গে গণমাধ্যমে উঠে এসেছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এ বছর ৩১ মার্চের মধ্যে হাওরের বাঁধ নির্মাণের কাজ শেষ করার শর্তে ২৬টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ নিয়েছিল। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তারা মাত্র ৬৫ শতাংশ কাজ শেষ করে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে হাওরের জন্য ৮৬ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে পাউবি’র মাধ্যমে ৬৫ কোটি টাকা এবং অবশিষ্ট ২১ কোটি টাকা স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে কাজের বিনিময়ে টাকা (কাবিটা) এর আওতায় দেয়া হয়।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের হিসাবে হাওরের বন্যায় ৪০ লাখ ৩০ হাজার মানুষ (৮ লাখ পরিবার) ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আর কৃষি মন্ত্রণালয়ের হিসাবে ৫ লাখ ৭ হাজার পরিবার বা ২৫ লাখ মানুষ ফসল হারিয়ে ক্ষতির মুখে পড়েছে। কিন্তু ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় থেকে ৩ লাখ ৩০ হাজার পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দেয়ার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। অন্যদের জন্য ১৫ টাকা কেজি দরে খোলা বাজারে চাল বিক্রি (ওএমএস) এবং ১০ টাকা কেজি দরে ফেয়ার প্রাইসে চাল বিক্রি করবে মন্ত্রণালয় যা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল।
জাতীয় একটি দৈনিকের ২৮ এপ্রিলের একটি খবরও আমাদের মর্মাহত করে। প্রতিবেদনটির সারাংশ এই যে, বাংলাদেশে কৃষি, মৎস্য, খাদ্যনিরাপত্তা, ভূমি ব্যবস্থাপনা, জলমহাল, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, বন, পরিবেশসহ বিভিন্ন বিষয়ে ১৩টি জাতীয় নীতি আছে। কিন্তু এসব নীতিতে হাওর উন্নয়নের বিষয়টি বরাবরের মতো অবহেলিত থেকেছে। হাওর উন্নয়নকে পর্যাপ্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়নি।
পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের (জিইডি) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৯৯৮ সালের জাতীয় মৎস্য নীতিতে হাওর এলাকার মাছ নিয়ে আলাদাভাবে কিছু বলা হয়নি। অথচ হাওর এলাকা দেশের সবচেয়ে সমৃদ্ধ মিঠাপানির মাছের আধার হিসেবে বিবেচিত।
বিস্তৃত হাওরাঞ্চলে ব্যাপক হারে মাছ মারা যাওয়ার কারণে এ অঞ্চলে জলাভূমিতে জীববৈচিত্র্য হুমকির সম্মুখীন হয়েছে। হাওরে প্রাকৃতিক দুর্যোগের সঙ্গে আর্থ-সামাজিক বিষয়টি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ‘ধান ও মাছ’- এ দুটোই হাওরের মানুষের জীবিকার প্রধান উৎস। এবারের দুর্যোগে এ দুটোই গেল। ফলে প্রাণ নিয়ে বেঁচে থাকার আর কিছু রইলো না হাওরপাড়ের অসহায় মানুষদের।
হাওর সমস্যার সমাধানে যা করা যেতে পারে
ব্যর্থতার কথা বলতে গেলে অনেক কিছু বলা যায়। এখনই সময় হাওর সমস্যার সুষ্ঠু সমাধানের। এজন্য বর্তমান সরকারের উচিত হাওর নিয়ে পর্যাপ্ত গবেষণা চালিয়ে যাওয়া। সেই সঙ্গে সরকারকে এক্ষেত্রে কোনো ধরনের দুর্নীতি, অবহেলা বা উদাসীনতা প্রশ্রয় না দিয়ে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদে সমন্বিত এবং অংশগ্রহণমূলক পরিকল্পনা গ্রহণ করে হাওর সংকটের মতো সমস্যাকে চিরস্থায়ীভাবে রুখে দিতে হবে।
এক্ষেত্রে সরকার গুরুত্বের সঙ্গে সর্বোচ্চ সতর্কতার মধ্য দিয়ে এগুবে বলে আশা রাখছি। সবকিছুর মাঝে আশার বাণী হচ্ছে- সরকার হাওর সংকটের মোকাবেলায় শিগগিরই ২১ হাজার কোটি টাকার মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করতে যাচ্ছে।
(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে)








